শিরোনাম :

  • ঝিলপাড়ে শুধুই আহাজারি ১ হাজার ৯৪২ জন হাজি দেশে ফিরেছেন ভিএআর কেড়ে নিলো ম্যানসিটির জয় বিমানের ফিরতি হজ ফ্লাইট শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর টানা ১১ জয়ে রেকর্ডে ভাগ বসাল লিভারপুল
গাইবান্ধায় ধানের মূল্য কম হওয়ায় কৃষক বিপাকে
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
০৯ মে, ২০১৯ ১০:২৫:২৮
প্রিন্টঅ-অ+


ধানের ন্যার্য্য মূল্য না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়ে গাইবান্ধার কৃষকগণ। সন্তানদের মুখে দু’মুটো ভাত, লেখা পড়া ও সংসার পরিচালনার খরচ জোগানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকৃতি দুর্যোগ মোকাবেলা করে মাথার ঘাঁম পায়ে ফেলে ঋণ করে চলতি মৌসুমে বোরো ধান চাষ করে প্রন্তিক কৃষকরা। এ বছর ধানের ফলন তেমন ভাল হয়নি। একদিকে ধানের ফলন কম অন্য দিকে বাজারে ক্রেতা কম থাকার করণে ধানের দামও কম। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন এক বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে বোরো ধান চাষ করতে খরচ হয় ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা। ফলন ভাল হলে ধান উৎপাদন হয় ২৩ মণ থেকে ২৫ মণ। কিন্তু চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ২০ মণ থেকে ২১ মণ। মান ভেদে বাজাবে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৫ শত ৫৫০ টাকা। এ হিসাবে ২১ মণ ধাণের মূল্য হয় ১১ হাজার ৫৫০ টাকা। উৎপাদন খরচ প্রতি বিঘা হয়েছে ১৩ হাজার টাকা। বিক্রয় মূল্যের সাথে উৎপাদন খরচ বিয়োগ করলে বিঘা প্রতি কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০ টাকা। ধানের মূল্য কম হলেও একজন শ্রমিকের শ্রমের মূল্য একদিনে দিতে হচ্ছে ৫ টাকা। ধানের দাম কম হওয়ায় ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবে তার জন্য চরম দুর্চিন্তায় পড়েছে কুষকগণ। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কৃষক আজগার আলী বলেন এক কেজি খাসির মাংশের দাম ৭ শত টাকা আর এক মণ ধানের দাম ৫ শত টাকা। গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এসএম ফেরদৌস বলেন চলতি মৌসুমে জেলার সাত উপজেলায় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৭৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ধান চাষ হয়েছে ১ লক্ষ ৩১ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে। চাউল আকারে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ৫ লক্ষ ৩১ হাজার মেট্রিক টন।



আমার বার্তা/০৯ মে ২০১৯/রিফাত


আরো পড়ুন