শিরোনাম :

  • ড. কালাম স্মৃতি পদক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী বিকেলে রাজহংস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অবশেষে মাঠে নামতে যাচ্ছেন মেসি! ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষের বৈধতা নিয়ে রিটের আদেশ আজ বছিলায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৭ অক্টোবর
মোবাইলে লুডু খেলার টাকা নিয়েই সবুরকে হত্যা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৪:০৬:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+


ব্রাহ্মণাবড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার ট্রাকের হেলপার সবুর (২০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাজিতে মোবাইলে লুডু খেলার টাকা নিয়েই তাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুর রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ তথ্য জানান।

সবুর আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে। গত ৫ জুন সকালে চরচারতলা গ্রামের সারকারখানা সড়কে একটি ট্রাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা হনুফা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এসপি আনিসুর রহমান জানান, মামলাটি প্রথমে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শীবাস চন্দ্র দাস তদন্ত করেন। পরবর্তীতে আসামি গ্রেফতার ও হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য মামলাটি জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই মো. সোহেল কামালের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ক্লুহীন এই হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধানে জানা যায়, চরচারতলা গ্রামের নিলু মিয়ার ছেলে মো. সুজন (২৮) এবং একই গ্রামের মো. মান্নানের ছেলে মো. রমজান (২০) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

তিনি আরও জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার পঞ্চবটি এলাকা থেকে আসামি মো. সুজনকে এবং ৭ সেপ্টেম্বর নরসিংদীর বেলাবো থানার নারায়ণপুর গ্রাম থেকে আসামি মো. রমজানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আসামিরা হত্যকাণ্ডের বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে তারা জানান, নিহত সবুর প্রায়ই সুজন ও রমজানের সঙ্গে বাজিতে মোবাইল ফোনে লুডু গেম খেলতো। গত ৪ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে রমজান ও সুজনের সঙ্গে ট্রাকে বাজিতে লুডু গেম খেলতে বসেন সবুর। রাত সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার দিকে লুডু খেলায় সবুরের কাছে হেরে যান সুজন ও রমজান। পরে সুজন ও রমজান খরচের জন্য সবুরের কাছে কিছু টাকা চান। কিন্তু সুবুর টাকা না দিলে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে সবুরকে ট্রাকের ভেতরে থাকা রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দফতর) মো. আবু সাঈদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মেহেদী হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) আলাউদ্দিন চৌধুরী ও ডিআইও-১ (বিশেষ শাখা) ইমতিয়াজ আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





আমার বার্তা/০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯/রহিমা


আরো পড়ুন