শিরোনাম :

  • দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশে ভাসানীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতেন ভাসানী : রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে দরজা ভেঙে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
আবরার হত্যা : ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের রিট শুনানি মঙ্গলবার
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৫২:২৩
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় তার পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের ওপর শুনানির জন্য মঙ্গলবারের (১৫ অক্টোবর) কার্যতালিকায় রাখার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রিট আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপনের পর হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিট আবেদনটি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

পরে আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ জানান, আবেদনটা আজ (১৪ অক্টোবর) উপস্থাপন করা হয়েছে। আদালত মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় রিটটি শুনানির জন্য রাখার আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে রোববার (১৩ অক্টোবর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী শাহীন বাবুর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

ক্ষতিপূরণের সঙ্গে হত্যার ঘটনা বিচারবিভাগীয় তদন্ত (জুডিশিয়াল ইনকয়ারি) এবং আবরারের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

অ্যাডভোকেট এ কে এম ফয়েজ বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় তার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। একইসঙ্গে, ওই ঘটনা বিচারিক কমিটি দিয়ে তদন্তের নির্দেশনা ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশনা জারির আর্জি জানানো হয়। এই ক্ষতিপূরণের পুরো টাকা বুয়েটকে দিতে হবে। এ ছাড়া রিটে আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এ রিটের আদেশ হলে আমরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটনায়ও শিক্ষার্থীদের জন্যও ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবো।

রিটে বুয়েট কর্তৃপক্ষ, স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, ইউজিসি, ডিএমপি কমিশনার, চকবাজার থানাে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক কয়েকটি চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্যের সূত্র ধরে শিবির সন্দেহে আবরারকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাংগঠনিক তদন্তের ভিত্তিতে বুয়েট ছাত্রলীগের ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করতে ডিবিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘটনার পর সোমবার থেকেই আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বুয়েট থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বুয়েটে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।



আমার বার্তা/১৪ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন