শিরোনাম :

  • ব্যালন ডি অর দৌড়ে মেসি-রোনালদো-ফন ডাইক, নেই মদ্রিচ-নেইমার বোর্ডের অনির্ধারিত জরুরি সভায় কী হবে আজ? ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ স্থগিত তবুও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে তালা! কানাডায় নির্বাচনে এগিয়ে জাস্টিন ট্রুডোর দল কুমিল্লায় বৃক্ষবিষয়ক ‘৯০ মিনিট স্কুলিং’ অনুষ্ঠান ৮ নভেম্বর
পুনর্নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয় অবরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৮ মার্চ, ২০১৯ ১৩:২৯:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+


পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর জোট এবং স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকরা অংশ নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচিও পালন করছে তারা।

নির্বাচন বাতিল, পুনঃতফসিল ঘোষণা, উপাচার্যের পদত্যাগ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও প্রার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে সকালে নির্বাচন বর্জনকারী প্যানেলগুলোর প্রার্থী ও সমর্থকরা সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন। সেখান থেকে বের করা একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে স্বতন্ত্র জোট থেকে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অরণি সেমন্তি খান বলেন, ‘স্যার বলেছিলেন, আমাদের লিখিত অভিযোগ দিতে। আমরা দিয়েছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমরা তিন দিনের সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই আমরা এখন ভিসি স্যারের কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান নিয়েছি। স্যার আমাদের কথা শুনতে বাধ্য।’

কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ডাকসুর জিএস পদপ্রার্থী এ আর এম আসিফুর রহমান, প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও সাম্রাজ্যবাদী ছাত্র ঐক্যের সম্মলিত জোটের জিএস পদপ্রার্থী উম্মে হাবিবা বেনজিরসহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

উম্মে হাবিবা বেনজির বলেন, ‘আমরা ডাকসু নির্বাচনকে সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। একটি স্বচ্ছ নির্বাচন সবাই আশা করেছিলাম। পাচঁটি প্যানেলের দাবি ছিল, গেস্ট রুম, গণরুমে নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কিন্তু কোনো আশাই পূরণ হয়নি। এজন্য আজ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে। গণতান্ত্রিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।’

এ আর এম আসিফুর রহমান বলেন, ‘সারা দেশের মানুষ জানে, ১১ তারিখের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন আমাদের প্রমাণ দিতে বলে। এখানে প্রমাণ দেওয়ার কিছু নাই।’



আমার বার্তা/১৮ মার্চ ২০১৯/জহির



 


আরো পড়ুন