শিরোনাম :

  • ডেমু ট্রেন আর নয় : প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু আক্রান্ত সিংহভাগই শিশু ওসি মোয়াজ্জেমের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ এইচএসসিতে পাসের হার ৭৩.৯৩%মক্কায় আরও ৩ বাংলাদেশী হজযাত্রীর মৃত্যু
সালমানকে সতর্ক করলেন আদালত
বিনোদন ডেস্ক :
০৬ জুলাই, ২০১৯ ১২:৪৩:২৪
প্রিন্টঅ-অ+


বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। গত বছর কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় তার। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পান এ অভিনেতা।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার এ মামলার একটি শুনানি ছিল। কিন্তু আদালতে হাজির হননি সালমান। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে জানা গেছে, এজন্য এ অভিনেতাকে সতর্ক করেছেন যোধপুর আদালত। যদি সালমান খান পরবর্তী শুনানিতে উপস্থিত না থাকেন তাহলে তার জামিন বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।

১৯৯৮ সালে হিন্দি ভাষার হাম সাথ সাথ হ্যায় সিনেমার শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে মামলাও দায়ের হয়। সিনেমাটিতে সালমান খানের সহশিল্পী সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে, টাবু ও নীলমকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসছে এ মামলা। ভারতের বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মানুষ এই হরিণকে ভক্তি করেন এবং এটি রক্ষায় কাজ করে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, ওই সিনেমার শুটিং চলাকালীন নিজেই গাড়ি চালিয়ে শিকারে বেরিয়েছিলেন সালমান। সেই গাড়িতে ছিলেন টাবু, সাইফসহ অন্যরা। গাড়ির মধ্য থেকেই গুলি করে হরিণ হত্যা করেন সালমান। গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে এসেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত হরিণটিকে পড়েও থাকতে দেখেন তারা। পাশাপাশি জিপসি গাড়িটি যে সালমান চালাচ্ছিলেন সেটিও দেখতে পান। তারা গাড়ির পেছনে ধাওয়া করেন। কিন্তু গতি বাড়িয়ে এলাকা থেকে উধাও হয়ে যান তারকারা।

গত বছর এপ্রিলে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন যোধপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব সিং খাতরি। পাশাপাশি এ অভিনেতাকে ১০ হাজার রুপি জরিমানাও করা হয়। পরবর্তী সময়ে সালমান দুদিন কারাগারেও ছিলেন। এরপর জামিনে ছাড়া পান। অন্যদিকে এ মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা এটি থেকে অব্যাহতি পান।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে এ রায় চ্যালেঞ্জ করে একটি আবেদন করেন সালমান। এরপর এ মামলার শুনানি নতুন করে শুরু হয়।



আমার বার্তা/০৬ জুলাই ২০১৯/জহির



 


আরো পড়ুন