শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী সোলিহর জয়লাভ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৬:০৪:৪০
প্রিন্টঅ-অ+


মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলিহ জয়লাভ করেছেন।

সোমবার সকালে নির্বাচন কমিশন যে ফল প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায় ৫৮ দশমিক ৩ ভাগ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলি।

সোলিহ ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬ ভোট। পক্ষান্তরে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট  আব্দুল্লাহ ইয়ামিন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১৩২ ভোট।

বিবিসি জানিয়েছে, আব্দুল্লাহ ইয়ামিন পরাজয় স্বীকার করে ভোটের ফল মেনে নিয়েছেন। সোমবার টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সোলিহকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইয়ামিন।

ভোটের ফল ঘোষনার পর সোলিহ সাংবাদিকদের বলেন,  ‘আমরাখুব সহজেই এ নির্বাচনে জয়ী হয়েছি। এটা আমাদের একটা সুখের, আশান্বিত হওয়ার এবং ইতিহাস গড়ার মুহূর্ত। মালদ্বীপে এবার শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই আমরা। আমি শুধু আমার দলের প্রেসিডেন্ট নই। আমি মালদ্বীপের সব মানুষের প্রেসিডেন্ট।’

সোলিহ এ সময় শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে ডেকে বলবো যে দেশের জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করুন। যত দ্রুত সম্ভব একটা নিরবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করার অনুরোধ করবো তাকে।’

এর আগে ইয়ামিনকে জয়ী করতে নির্বাচন কমিশনসহ ক্ষমতাসীন দল নানাভাবে চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ করেছিল পর্যবেক্ষকদল এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, কোনো রকম বিপত্তি ছাড়াই নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং মালদ্বীপের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলো এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলির প্রতি সমর্থন ছিল মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ। ফল ঘোষণার পর টুইটারে তিনি ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলিকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‌’শুধু মালদ্বীপের জনগণই নয়, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী সব মানুষের জন্য অসাধারণ কাজ করেছেন।’

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালদ্বীপে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। রোববার মালদ্বীপে ব্যাপক সমালোচনার মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র বলেছিলো যদি নির্বাচনের মাধ্যমে মালদ্বীপের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উন্নতি না হয় তাহলে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।



আমার বার্তা/২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮/জহির

 


আরো পড়ুন