শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
সন্ত্রাসী হামলায় বিশ্বে মৃত্যু কমেছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১০:২২:৫২
প্রিন্টঅ-অ+


সারাবিশ্ব চলমান সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নাকাল হলেও ২০১৮ সালে সন্ত্রাসজনিত মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বুধবার আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সূচকে মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কমেছে। তবে সন্ত্রাসবাদের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইরাক। এই তালিকায় যথাক্রমে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, সিরিয়া ও পাকিস্তান।

প্রতিবেদনটির তথ্য মতে, সারা বিশ্বে ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের তুলনায় চলতি বছর ২৭ শতাংশ মৃত্যু কমেছে। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদের শিকার শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সংখ্যা বেশি। গতবারের মতো এবারও ইরাক ও সিরিয়া সবার প্রথমে রয়েছে। যদিও গত বছরের তুলনায় ইরাকে পাঁচ হাজারেরও কম লোক মারা গেছে। ২০১৬ সালের সঙ্গে তুলনা করে সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে এক হাজার।

২০১৭ সালের মতো এবারও বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসবাদী দল হিসেবে খেতাব পেয়েছে ইসলামিক স্টেট তথা আইএস। তবে এর ক্ষমতা ও কার্যক্রম আগের তুলনায় সীমিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা কমেছে।

প্রতিবেদনেটি বলছে, স্থানীয় সামরিক বাহিনী ও সহায়তাকারী আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনীগুলো বিভিন্নস্থানে আইএসকে দমন করতে পারায় এই সফলতা এসেছে। এ ছাড়া ইউরোপে চোখে পড়বার মতো সন্ত্রাসী কার্যক্রম কমেছে। পশ্চিম ইউরোপে সন্ত্রাসজনিত কারণের হত্যার সংখ্যা গত এক বছরে আশাবাদী হওয়ার মতো কমেছে। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৬৮, যেখানে ২০১৭ সালে এটি ৮১-তে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কট্টরপন্থীদের মৌলবাদী আচরণ বিশ্বে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়িয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে।

ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ‌্যান্ড পিস বিশ্বের ১৬৩টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।



আমার বার্তা/০৬ ডিসেম্বর ২০১৮/জহির


আরো পড়ুন