শিরোনাম :

  • ডি মারিয়া উড়িয়ে দিলেন রিয়ালকে তিন সপ্তাহ পরিকল্পনা, অতঃপর অভিযানের গ্রিন সিগন্যাল কোহলির ব্যাটে সহজ জয় ভারতের বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদুর বাড়িতে হামলা জাবি উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য আল্টেমেটাম
পশ্চিমবঙ্গে হাসপাতাল অবরোধ, দুই দিনে ২৮ জনের মৃত্যু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
১৩ জুন, ২০১৯ ১৭:০৮:২৪
প্রিন্টঅ-অ+


পশ্চিমবঙ্গের এনআরএস কাণ্ডের জেরে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অচলাবস্থা চলছে। চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ থাকায় গত ৪৮ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে।

এনআরএস হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের একাধিক হাসপাতালে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এনআরএসের পাশাপাশি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের পরিস্থিতিও ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে। একইপথে এগোচ্ছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

বিশেষ করে জরুরি বিভাগ খোলা না থাকায় একের পর এক রোগীর মৃত্যু নিয়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। অনেকে অভিযোগ করছেন, হাসপাতালে রোগীমৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে এখানে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন রোগীর মৃত্যু হয়।

তবে জরুরি বিভাগের পরিষেবা বন্ধ থাকায় এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৫ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ১৫ এবং বুধবার আরও ১৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৪ জন নবজাতক। আজ বৃহস্পতিবার আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবারের মতো বৃহস্পতিবারও হাসপাতালের বহির্বিভাগ বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালটিতে অনেক দূর থেকে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। বৃহস্পতিবার সকালে অনেকে হাসপাতালে এসে দেখেন বহির্বিভাগ বন্ধ। টিকিট কাউন্টারেরও দরজা খোলেনি।

তারপর কাউন্টার এবং বহির্বিভাগ খোলার দাবিতে রাস্তা অবরোধ শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই খুলে দেয়া হয় বহির্বিভাগের মূল ফটক। তবে চিকিৎসকরা বহির্বিভাগের বাইরে গিয়ে কাজ শুরু করেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় সেই পরিষেবাও।

একই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমান, বাঁকুড়া ও মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজেও। বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বহির্বিভাগ খুলে পরিষেবা শুরু হয়। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর জুনিয়র চিকিৎসকরা এসে বহির্বিভাগ থেকে অন্যান্য চিকিৎসকদের বের করে নিয়ে যায়। তারপর থেকে চিকিৎসা সেবা বন্ধ।

মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জেনারেল ফিজিশিয়ান বিভাগের টিকিট দেয়া সত্ত্বেও রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়নি। টিকিট কেটে রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসে লাইনে দাঁড়িয়েও কোনো সাড়া পাননি। এখানেও জুনিয়র চিকিৎসকরা বহির্বিভাগ বন্ধ করে দেন।



আমার বার্তা/১৩ জুন ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন