শিরোনাম :

  • অরুণ জেটলি বিরল এক ক্যানসারে ভুগছিলেন কোথায় গিয়ে থামবে আজ নিউজিল্যান্ড! শিশু সায়মা হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৬ সেপ্টেম্বরওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেলো রিয়াল মাদ্রিদ
বিআরটিএর ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ দিতো তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৮ মে, ২০১৯ ১৩:৪০:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+


রাজধানীর কাফরুল থেকে মঙ্গলবার রাতে মোটরযানের জাল রুট পারমিট, রেজিস্ট্রেশনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) । জিজ্ঞাসাবাদে দালাল চক্রটি জানায়, গাড়ি ও চালকের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ এর মতো সব ধরনের প্রয়োজনীয় জাল সার্টিফিকেট প্রস্তুত ও সরবরাহ করতো তারা।

গ্রেফতারদের বরাত দিয়ে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. আ. খালেক (৬৭), মো. আনোয়ারুল হক শিমুল (৪২), মো. আ. জলিল (৬৪), মো. আ. রহিম (৩১) ও মো. মোতালেব হোসেন (৫৮)।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক মোটরযানের জাল রুট পারমিট ফরম, রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র, ফিটনেস সনদপত্র, ট্যাক্স টোকেন ফরম, বীমা ফরম, বীমা স্ট্যাম্প স্টিকার, ডকুমেন্ট প্রাপ্তি রশিদ, রেজিস্ট্রেশন আবেদন ফরম, বিআরটিএর বিভিন্ন কর্মকর্তা ও অফিসের ১৫০টি সিল এবং গাড়ির ডিজিটাল নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও এ সব কাগজপত্র জালকরণে ব্যবহৃত একটি ১৭ ইঞ্চি কালার মনিটর, একটি সিপিইউ, ১৬০ জিবি হার্ডডিস্ক এবং একটি প্রিন্টার জব্দ করা হয়।

আবদুল বাতেন বলেন, গ্রেফতাররা প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে মোটরযানের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জাল করে আসছে। গাড়ি ও চালকের চাহিদা অনুযায়ী তারা বিভিন্ন অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ এর মতো সব ধরনের প্রয়োজনীয় জাল সার্টিফিকেট প্রস্তুত ও সরবরাহ করত। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রাহক সংগ্রহ করে বিভিন্ন এডিটিং সফটওয়্যারের সাহায্যে নকল এ সব কাগজপত্র বানিয়ে নিজেরাই সিল স্বাক্ষর করে পুনরায় গ্রাহকদের সরবরাহ করতো। গ্রাহকদের বেশির ভাগই যারা অদক্ষ চালক অথবা চোরাই বা ত্রুটিযুক্ত গাড়ির জন্য স্বল্প খরচে এ চক্রের মাধ্যমে জাল কাগজপত্র সংগ্রহ করে।

এ ছাড়াও প্রতারক চক্রটি দালাল হিসেবে বিভিন্ন সময় আসল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশী গ্রাহকদেরও জাল কাগজপত্র সরবরাহ করে প্রতারণা করতো বলে স্বীকার করেছে। তারা ক্ষেত্র বিশেষে গাড়ি প্রতি সব কাগজপত্র প্রস্তুতের জন্য ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা আদায় করতো। এ ক্ষেত্রে সরকার বিপুল রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হয়।

আবদুল বাতেন আরও বলেন, আসামিদের মধ্যে মো. আনোয়ারুল হক শিমুল ও মো. আ. জলিল আগেও একই কারণে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। জামিনে মুক্ত হয়ে তারা আবার জাল কাগজপত্র প্রস্তুতের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।



আমার বার্তা/০৮ মে ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন