শিরোনাম :

  • মধ্যরাত পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, শর্ত জুড়ে দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার আজ সশস্ত্রবাহিনী দিবস ওয়াটারফ্রন্ট স্মার্টসিটি হবে কেরানীগঞ্জে ছোট ভাই প্রেসিডেন্ট, বড় ভাই এবার প্রধানমন্ত্রী ৭ তলার জানালা দিয়ে উড়ে আসছে লাখ লাখ টাকা, কুড়োতে হুড়োহুড়ি
গ্যাসের দাম বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
১২ জুলাই, ২০১৯ ০৮:৩৭:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+


তিনি বলেন, যারা আন্দোলন করছেন তারা আসল পরিস্থিত নিয়ে ভাবেন না বা তারা আমাদের উন্নয়ন দেখেন না




বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে গ্যাসের দাম অনেক কম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে যারা আন্দোলন করছেন তারা আসল পরিস্থিতি বিবেচনা করেন না।


 


একাদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) সমাপনী বক্তব্যে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) তিনি বলেন, ‘‘যারা আন্দোলন করছেন তারা আসল পরিস্থিত নিয়ে ভাবেন না বা তারা আমাদের উন্নয়ন দেখেন না।’’


 


প্রধানমন্ত্রী জানান, গ্যাসের দাম ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সরকার তা মাত্র ৩২.৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। প্রতি ঘনফুট এলএনজি আমদানির মোট ব্যয় ৬১.১২ টাকা, কিন্তু বিপুল ভর্তুকি দিয়ে তা বিক্রি করা হয় ৯.৮০ টাকায়। 


 


 ‘‘এলএনজি আমদানির কারণে গ্যাসের দাম কিছু পরিমাণে বাড়লেও তা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম,’’ বলেন তিনি।


 


গ্যাসের দাম ভারতে কমিয়ে আনা হয়েছে বলে বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদের দাবি খণ্ডন করে সংসদ নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গ্যাসের দামের তুলনামূলক চিত্র সংসদে তুলে ধরেন।


 


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে গ্যাসের দাম প্রতি ঘনফুট ১২.৬০ টাকা, যা ভারতে ৩০-৩৭ রুপি।


 


তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে শিল্পকারখানায় যেখানে প্রতি ঘনফুট গ্যাসের দাম ১০.৭০ টাকা সেখানে ভারতে তা ৪০-৪২ রুপি। প্রতি ঘনফুট সিএনজির দাম বাংলাদেশে ৪৩ টাকা আর ভারতে তা ৪৪ রুপি। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশে গ্যাসের দাম প্রতি ঘনফুট ২৩ টাকা এবং ভারতে সেটি ৫৮-৬৫ রুপি।


 


সরকার বিশাল অংকের টাকা ভর্তুকি দিয়ে মানুষকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



 

আরো পড়ুন