শিরোনাম :

  • মধ্যরাত পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, শর্ত জুড়ে দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার আজ সশস্ত্রবাহিনী দিবস ওয়াটারফ্রন্ট স্মার্টসিটি হবে কেরানীগঞ্জে ছোট ভাই প্রেসিডেন্ট, বড় ভাই এবার প্রধানমন্ত্রী ৭ তলার জানালা দিয়ে উড়ে আসছে লাখ লাখ টাকা, কুড়োতে হুড়োহুড়ি
ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন শোয়েব মালিক
স্পোর্টস ডেস্ক :
০৬ জুলাই, ২০১৯ ১০:২৪:৫০
প্রিন্টঅ-অ+


২০১৯ বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। ইংল্যান্ডে তাদের ট্র্যাক রেকর্ড বেশ ভালো হলেও রানরেটের গ্যাঁড়াকলে পড়ে শেষ চারে আর ওঠা হয়নি তাদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে গতকাল (শুক্রবার) তাদের খেলা ম্যাচটিই তাই এই বিশ্বকাপে সরফরাজ-আমিরদের জন্য শেষ ম্যাচ হয়ে রইল।

এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ শেষেই ৫০ ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক। অবশ্য আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ শেষেই রঙিন পোশাকের ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি। গতকাল ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সে ঘোষণাই দেন এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

পাকিস্তানের হয়ে ক্যারিয়ারের শেষ মুহূর্তগুলো অবশ্য ভালো কাটেনি মালিকের। এবারের বিশ্বকাপে মাত্র ৩ ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে দুবারই ডাক (শূন্য রানে আউট) মেরেছেন। আর বল হাতে উইকেট মোটে ১টি। পাকদের হয়ে ২৮৭ ম্যাচ খেলে ৭৫৩৪ রান ও ১৫৮ উইকেট নেয়া মালিকের নামের পাশে যা বড্ড বেমানান।

এদিকে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও পাকিস্তানের হয়ে আরও কিছুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান মালিক। আগামী ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছেও পোষণ করেছেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি এর আগের সাক্ষাৎকারেই বলেছিলাম, বিশ্বকাপ শেষে অবসরে যাবো আমি। আজ (গতকাল) আমাদের শেষ ম্যাচ ছিল এবং অবসরের ডাক দিচ্ছি। কয়েকবছর আগেই আমি পরিকল্পনা করে রেখেছিলাম, বিশ্বকাপ দিয়েই খেলা ছাড়ব। ক্রিকেটের যে ফরম্যাটটাকে আমি সবসময় ভালোবাসতাম তা ছেড়ে দিতে আমি অনেক কষ্ট অনুভব করছি। কিন্তু একদিক থেকে আমি আবার খুশিও। কারণ এখন আমি আমার পরিবারকে অনেক বেশি সময় দিতে পারবো। এদিকে এই অবসর এখন আমাকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আরও বেশি মনোযোগী হতে সাহায্য করবে।’

এরপর সতীর্থ ও সকল শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায়ী বার্তায় মালিক বলেন, ‘আমি আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলোকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তারা শেষ ২০ বছর আমাকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে টিকে থাকতে সাহস ও শক্তি জুগিয়েছে। ড্রেসিংরুমে যেসব সতীর্থদের সঙ্গে আমি ওঠা-বসা করেছি, আমার সকল কোচ, আমার বন্ধুরা এবং আমার পরিবার, গণমাধ্যম, আমার স্পন্সর এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সকলকে ধন্যবাদ। বিশেষ করে আমার ভক্তদের অনেক বেশি ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি আপনাদের সকলকে অনেক ভালোবাসি।’



আমার বার্তা/০৬ জুলাই ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন