শিরোনাম :

  • ডি মারিয়া উড়িয়ে দিলেন রিয়ালকে তিন সপ্তাহ পরিকল্পনা, অতঃপর অভিযানের গ্রিন সিগন্যাল কোহলির ব্যাটে সহজ জয় ভারতের বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদুর বাড়িতে হামলা জাবি উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য আল্টেমেটাম
আবারও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হবেন স্মিথ!
স্পোর্টস ডেস্ক :
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:৩৪:০৬
প্রিন্টঅ-অ+


বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির কারণেল ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত মার্চেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে ফিরে এসেছে স্টিভেন স্মিথরা। এরই মধ্যে খেলে ফেলেছেন বিশ্বকাপ এবং অ্যাশেজ সিরিজ। অ্যাশেজে ৫ ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাট করে ৬৭১ রান করেছেন স্মিথ। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর তার এমন পারফরম্যান্স অবাক করে দিয়েছে সবাইকে।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মার্ক টেলর বিশ্বাস করেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আবার অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বে ফিরে আসবেন স্মিথ। টিম পেইনের নেতৃত্বের অবসান হলেই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হবেন স্মিথ।

কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে সেই বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর স্মিথ-ওয়ার্নার এবং বেনক্রফটের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তার অন্যতম ছিলেন মার্ক টেলর নিজে। যিনি অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের অংশ। স্মিথের ওপর ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞাই নয় শুধু, পরবর্তী এক বছর অধিনায়কত্ব করতে পারবে না বলেও শাস্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সেই মার্ক টেলরই এখন বলছেন, খুব দ্রুতই নেতৃত্বে ফিরে আসবেন স্মিথ। অর্থ্যাৎ, তার টিম পেইনকে যে নির্ধারিত সময়ের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে, সেই সময়টা শেষ হলেই স্মিথ ফিরে আসবেন আগের নেতৃত্বের জায়গায়।

সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মার্ট টেলর বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি স্মিথ আবারও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হবে। স্মিথ-ওয়ার্নার এবং ক্যামেরন বেনক্রফটের নিষেধাজ্ঞা জারির সময় আমি নিজেও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের অংশ ছিলাম। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে দুর্দান্ত এক অধিনায়ক হবে স্মিথ। কারণ, যে কঠিন শিক্ষা সে পেয়েছে, তার থেকেই সে পথ চলার রসদ পেয়ে যাবে।’

স্মিথের নিষেধাজ্ঞার সুযোগে উইকেরক্ষক ব্যাটসম্যান টিম পেইনকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। তার অধীনেই কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজের ট্রফি রক্ষা করে ফেলতে সক্ষম হয়। তবে, তার বয়সও কিন্তু কম হচ্ছে না। আগামী ডিসেম্বরেই ৩৫ পার করে ফেলবেন তিনি।

টিম পেইনের পর উসমান খাজা কিংবা ট্রাভিস হেডকেও অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কিন্তু অ্যাশেজে সত্যিই তারা দারুণ বাজে পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। অন্য দিকে প্যাট কামিন্স কিংবা জস হ্যাজলউডরা বিবেচনায় আসলেও তাদের অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, তারা বোলার এবং দলের মধ্যে নেতৃত্বসূলভ ভুমিকাও কম।

অন্যদিকে হেডিংলিতে নিশ্চিত জয়ের ম্যাচটি হেরে যাওয়ার কারণে টিম পেইন দারুণভাবে সমালোচিত হন। কারণ, তার নেয়া কিছু বাজে সিদ্ধান্ত। না হয় নিশ্চিত টেস্ট জিতে যেতে পারতো অস্ট্রেলিয়া।

সব মিলিয়ে স্মিথই আগামী দিনের পূনরায় অধিনায়ক হতে যাচ্ছেন- এটা প্রায় নিশ্চিত। মার্ক টেলর বলেন, ‘আগামী বছর ১ এপ্রিল থেকে আবারও সে (স্মিথ) অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হবে, এ বিষয়টা আমার কাছে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটা যে খুব দ্রুত হতে হবে তাও নয়। আমি চাই, টিম পেইন যখন ক্যারিয়ার শেষ করবে, তখন স্মিথ আবার অধিনায়ক হোক। এতে যদি আগামী ৬ মাস কিংবা আরও দুই-তিন বছরও সময় লাগে, তা লাগুক।’

সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেলও চান স্মিথ আবার নেতৃত্বে ফিরে আসুক। সম্প্রতি তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি অস্ট্রেলিয়ার মূল সমস্যা যে অধিনায়কত্ব, তাতে কেউ চোখই দিচ্ছে না।’ রিকি পন্টিং যখন বললেন, ‘দলের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই’- তার জবাবে চ্যাপেল এ কথা বলেন।



আমার বার্তা/১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন