জেবিসিসিসিআই-এর ২১তম এজিএম অনুষ্ঠিত
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০২ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)-এর ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল লেকশোরে আয়োজিত এ সভায় নতুন মেয়াদের (অক্টোবর ২০২৬ – সেপ্টেম্বর ২০২৮) জন্য নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নতুন পর্ষদে কাজুয়ুকি কাতাওকা সভাপতি এবং রবিউল আলম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া (জুন)-এর উপস্থিতিতে সাধারণ সভাটি সঞ্চালনা করেন জেবিসিসিআই-এর নির্বাহী পরিচালক তাহেরা আহসান।
সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মারিয়া হাওলাদার এফসিএ। তিনি জানান, জেবিসিসিআই-এর সদস্য সংখ্যা বর্তমানে বেড়ে ৩৯১টিতে উন্নীত হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৩৬৯টি। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিরই বহিঃপ্রকাশ। নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার সিপিএ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। তিনি তাঁর বক্তব্যে জেবিসিসিআই-এর সদস্য বৃদ্ধি ও দুই দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অবদানের প্রশংসা করে বলেন, "ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি মাইলফলক। জাপানি বিনিয়োগ সহজতর করতে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং শিল্প বৈচিত্র্যকরণ জরুরি।"
জেবিসিসিআই-এর নির্বাচন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ বি এম আজিজুর রহমান নতুন পরিচালনা পর্ষদকে পরিচয় করিয়ে দেন। নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি পদে আবু জামান মো. তরিকুল ইসলাম ও সৈয়দ সামিউল হক, কোষাধ্যক্ষ পদে কেনজি কিমুরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে অলিভার কুৎস এবং যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ পদে সৌমিত্র কুমার মুৎসুদ্দী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া মনা বু সুগাওয়ারা ও আব্দুল হককে বোর্ডের উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
নবনির্বাচিত সভাপতি কাজুয়ুকি কাতাওকা তাঁর বক্তব্যে দুই দেশের বাণিজ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের অবদান আরও জোরদার করার পাশাপাশি সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভায় প্রায় ২৪০ জন সাধারণ সদস্য, বোর্ড সদস্য এবং রাষ্ট্রদূত কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
