বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিজিএমইএ’র শোকসভা ও দোয়া মাহফিল
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এক বিশেষ শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে এ শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান।
শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, মো. হাসিব উদ্দিন, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, নাফিস-উদ-দৌলা, সুমাইয়া ইসলাম, ফাহিমা আক্তার, মজুমদার আরিফুর রহমান, শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ, এ.বি.এম. সামছুদ্দিন, ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী, মোহাম্মদ সোহেল, সামিহা আজিমসহ বিজিএমইএ’র সাধারণ সদস্যবৃন্দ এবং পোশাক খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান এবং পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী। তারা দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ও অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আপসহীন নেত্রী ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। তিনি পোশাক শিল্পের প্রকৃত বন্ধু ছিলেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যখন এই শিল্প বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল, তখন তার সরকার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও নগদ প্রণোদনার মাধ্যমে শিল্পের পথচলা সহজ করে দেয়। তাঁর শাসনামলেই প্রথমবারের মতো দেশের পোশাক রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।”
তিনি আরও বলেন, “২০০৪ সালে কোটা প্রথা (MFA Phase Out) বিলুপ্তির সংকটকালে জাতীয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠনের মাধ্যমে তিনি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যার সুফল আজও পোশাক শিল্প ভোগ করছে। বিজিএমইএ’র ওপর আস্থা রেখে ইউডি ও ইউপি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়ায় ব্যবসার গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রবর্তন, ব্যবসা সহজীকরণ, ব্যয় হ্রাস এবং নারী শিক্ষায় উপবৃত্তি চালুর মাধ্যমে তিনি এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেন।”
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজিএমইএ’র পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী।
এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওতে দেশের অর্থনীতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিশেষ করে পোশাক শিল্পের উন্নয়নে তাঁর যুগান্তকারী অবদান তুলে ধরা হয়।
শোকসভা শেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
আমার বার্তা/জেএইচ
