এপস্টেইন ফাইলে নাম আসায় কড়া জবাব জিজি হাদিদের

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:০১ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

নিজের এবং বোন বেলা হাদিদের নাম আসা নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন বিশ্বখ্যাত মডেল জিজি হাদিদ। এই নথিতে নাম থাকাকে ‘বিব্রতকর’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ওই ‘ঘৃণ্য’ ব্যক্তির সঙ্গে তার বা তার বোনের কোনোকালেই কোনো সম্পর্ক ছিল না। 

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ থেকে প্রকাশিত ২০১৫ সালের একটি ইমেইল চালাচালিতে এই দুই মডেল বোনের নাম উঠে আসে। সেখানে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এপস্টেইনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, ৩০ বছর বয়সী জিজি এবং ২৯ বছর বয়সী বেলা কীভাবে এত বড় মডেল হলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘তারা নির্দেশ মেনে চলে, বিষয়টি এতটাই সহজ।’ 

এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর গত ২৯ মার্চ জিজির ইনস্টাগ্রামে এক অনুসারী তার নীরবতা নিয়ে সমালোচনা করলে জিজি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

জিজি হাদিদ জানান, কোনোদিন দেখা না হওয়া একজন মানুষ তাকে নিয়ে এভাবে কথা বলছে—এটি দেখা খুবই ভয়াবহ। বিশেষ করে এমন একটি নেতিবাচক প্রেক্ষাপটে। বলেন, ‘আমি এতদিন মন্তব্য করিনি কারণ আমি চাইনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের গল্পগুলো আমার কারণে আড়ালে পড়ে যাক। তবে এখন মনে হচ্ছে বিষয়টি পরিষ্কার করা জরুরি। যখন ওই ইমেইল লেখা হয়েছিল তখন আমার বয়স ছিল ২০-২১ বছর। সেই ফাইলে নিজের নাম থাকাটা ডিস্টার্বিং। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ওই জঘন্য মানুষের সঙ্গে আমার কখনোই কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না।’

নিজের ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে জিজি আরও বলেন, তিনি সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবারে বড় হলেও তার বাবা-মা তাকে কঠোর পরিশ্রমের মূল্য শিখিয়েছেন। ২০১২ সালে মডেলিং এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মুহূর্ত তিনি নিজের যোগ্যতায় অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী। ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে অসংখ্য নারী তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনেন। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পাচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১০ আগস্ট বিচার চলাকালীন জেলখানায় আত্মহত্যা করেন এই বিতর্কিত ধনকুবের। সম্প্রতি তার সংশ্লিষ্ট ফাইলগুলো জনসমক্ষে আসায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।