সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাটের ঘটনা নাশকতা কি না জানতে তদন্ত কমিটি
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৫:১২ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনে হওয়া সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাটের ঘটনা নাশকতা ছিল কি না, সেটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সংসদ কমিটি। কমিটিকে ঘটনা তদন্ত করে ৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
আজ শনিবার সংসদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সংসদ কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
১২ মার্চ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনে শব্দযন্ত্রের বিভ্রাটের কারণে অধিবেশন কিছু সময় বন্ধ রাখতে হয়। পরদিনের বৈঠকেও হেডফোন ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলাপ হয়েছে জানিয়ে চিফ হুইপ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটার জন্য তদন্ত কমিটি হয়েছে সার্জেন্ট এট আর্মসের নেতৃত্বে। এখানে রিয়েলি একটা স্যাবোটাজ হয়েছে বলে আমরা ধারণা করি। আর অ্যাকচুয়ালি সাউন্ড সিস্টেমের জন্য যে প্রবলেম, তার জন্য এক্সপার্ট লোকজনকে এখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি বুয়েট থেকে।’
চিফ হুইপ জানান, তদন্ত কমিটি দুটি বিষয় দেখবে—কোনো স্যাবোটাজ হয়েছে কি না, আর আসলে সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা কী; তার সমাধান কীভাবে করা যায়।
এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘হেডফোনের ব্যাপারটা নিয়ে সকলের অভিযোগ, আমার নিজেরও অভিযোগ। এত বড় ঢাউস একটা হেডফোন মাথায় দিয়ে পার্লামেন্ট শোনা যায় না। মাথা গরম হয়ে যায়, কান গরম হয়ে যায়। এটা চেঞ্জ হবে।’
সংসদ সদস্যদের আবাসন ও চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, মোটামুটি সব সংসদ সদস্য আবাসন সুবিধা পাবেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, চিফ হুইপ, হুইপ, স্পিকার —তাঁদের আলাদা বাসভবনের ব্যবস্থা আছে। অন্যদের আবাসনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে। প্রয়োজনীয় যেসব জিনিস কিনতে হবে, সেগুলো যেন কেনা সম্পন্ন হয়, সে জন্য ১০ তারিখের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। ৩০ মার্চ আবার বৈঠক করবে কমিটি।
৫ আগস্টের পর সংস্কারের জন্য অনেক সময় পাওয়া গেলেও কী কারণে ঠিকমতো সমস্যার সমাধান করা যায়নি—এমন প্রশ্নে চিফ হুইপ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দেশে নির্বাচন হবে না, এমন আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছিল। তারপর আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছিল—এ রকম হবে, সে রকম হবে। নির্বাচনের দিনও আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নির্বাচন কি ফাইনালি টিকবে? আমি বলেছি, দেখা যাক, গায়েবের মালিক আল্লাহ। আমরা বলতে পারব না, চেষ্টা করি যাতে টিকে।’
আমার বার্তা/এমই
