মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমরা ধারণ করি, বিক্রি করি না: শামা ওবায়েদ

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

সংসদে যারা রয়েছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করেন না, ধারণ করেন বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর প্রস্তাব রেখে জাতীয় সংসদকে এ কথা জানান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধার নামের আগে বীর শব্দ ব্যবহারের প্রস্তাব রেখে পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে যদি বীর মুক্তিযোদ্ধাটা বলা হয়, আমরা যদি সংসদের ভেতর এটা চালু করি, বাইরেও এটা বলতে পারবো। তাহলে আমার মনে হয়, ইয়াং জেনারেশন আছে নতুন প্রজন্ম তারাও জানতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অভিবেশনের ২৪তম দিন বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রী এ প্রস্তাব রাখেন। 

শামা ওবায়েদ বলেন, গতকাল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংসদে কথা হয়েছে। সংসদে আমরা যারা আছি, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না ধারণ করি। এখানে যারা বীর মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাদের নামের আগে যদি বীর মুক্তিযোদ্ধা বলা হয় এবং তারপরে নামটা বলা হয়, তাহলে মনে হয় নতুন প্রজন্মও জানতে পারে। মুক্তিযোদ্ধাদেরও একটা সম্মান দেওয়া হয়। সংসদের ভেতরে যদি আমরা এটা চালু করি সংসদের বাইরেও এটা আমরা বলতে পারবো।

এ সময় স্পিকার বলেন, ইতোমধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় কিছু পরিবর্তন এনেছে, সংসদও অনুমোদন দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা তিনিই যিনি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, বাকিরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা সহায়ক এই সংজ্ঞা পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখানে ক’জন অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, আমার জানা নাই। তবে সাধারণত সংসদে আসনভিত্তিক পরিচয় দিয়েই আমরা আলাপ করে থাকি। মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় এখানে উহ্য থাকে তবুও যদি শিউর হই, কারও সম্পর্কে যিনি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার মধ্যে পড়েন তাহলে সেভাবে তাকে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হবে।

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে বীর শব্দটি ব্যবহার করে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করার বিধান করা হয়। তবে ২০২৪ সালে মুক্তি যোদ্ধাদের নামের আগে বীর শব্দ ব্যবহার বাতিলের প্রস্তাব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক)। 


আমার বার্তা/এমই