তেল ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ইসলামী আন্দোলন

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:১৯ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরদিনই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম এক লাফে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এখন সিলিন্ডার প্রতি গ্রাহককে আগের চেয়ে ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এপ্রিলের শুরুতেও একবার দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। শহরের সিংহভাগ মানুষ রান্নার জন্য নির্ভর করে এলপিজির ওপর। এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের খরচের ওপরে চাপ তৈরি করবে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দেবে। উচ্চহারে তেল ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সাধারণ পরামর্শ হলো, সরকারের ব্যয় কমানো। আর সরকার ব্যয় কমানোর অর্থ ধরে নেয় জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা। অথচ আইএমএফ অন্য রাজস্ব বৃদ্ধির পরামর্শও দেয়। কিন্তু সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পথে না হেঁটে সহজপন্থা হিসেবে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেয়। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি লিটারে দৃশ্যত ২০ টাকা দেখা গেলেও এর বহুমাত্রিক মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। সব ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ে, যা একজন নাগরিককে প্রতিটি কেনাকাটায় বাড়তি অর্থ দিতে বাধ্য করে।

তিনি বলেন, আমরা সরকারকে বলবো, জনগণের ওপরে বোঝার চাপ বাড়িয়ে সংকট সমাধানের পথে হাঁটবেন না। বরং জনগণের বোঝা লাঘব করার চেষ্টা করুন। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে যদি দেশেও বাড়াতে হয়, তবে বিশ্ববাজারে যখন তেলের দাম কমে তখন দেশেও কমানোর নীতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে যেসব জিনিসের দাম বেড়েছে, তা কমানোর ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কখনো দাম কমে না। তাই সরকারকে বলবো, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। মানুষের কষ্ট লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।