বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ভারপ্রাপ্ত সচিব) এ এইচ এম কামরুজ্জামান আহমেদ ও যুগ্মসচিব আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। হিরার সঙ্গে ছিলেন তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকার মিরপুর-১-এর মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি ফয়েজী মাসুম।

গত ৬ থেকে ১০ অক্টোবর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয় ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬। বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় কয়েক ধাপে বাছাই শেষে ৩৮টি দেশের প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন। তাদের মধ্যে হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দেশটির ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ হিরা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত নগদ অর্থ, একটি সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরাহ অথবা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের স্বর্ণের বার।

হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা ঢাকার মিরপুর-১-এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামীর শিক্ষার্থী। এর আগে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সা'দ নুরসহ অনেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তাদের ধারাবাহিক সাফল্যের মধ্যে এবার যুক্ত হলো হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরার নাম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এবং গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাসুম ফয়েজী হিরার এ অর্জনে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন। তিনি দোয়া করেন, মহান আল্লাহ তাআলা যেন হিরাসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যোগ্য আলেম, আদর্শ মানুষ ও দ্বীনের একনিষ্ঠ দায়ী হিসেবে কবুল করেন।