বিশ্বকাপ খেলার আশাভঙ্গ, অবসরের ইঙ্গিত তারকা ফরোয়ার্ডের

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:১৬ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

চার বছর পর আরেকটি ফুটবল বিশ্বকাপের আসর বসতে যাচ্ছে জুন-জুলাইয়ে। এমন মেগা ইভেন্টে যেমন অখ্যাত ফুটবলারও তারকাখ্যাতি পান, তেমনি বড় নাম ফ্লপ হওয়ারও অনেক নজির আছে। তবে বিশ্বকাপে খেলার আশা নিশ্চয়ই কেউ ছাড়তে চাইবেন না। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারত পোল্যান্ড তারকা রবার্ট লেভান্ডফস্কির শেষ আসর। কিন্তু প্লে-অফে সুইডেনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে তার দল ছিটকে গেছে।

পোল্যান্ডের ম্যাচ শেষে ৩৭ বছর বয়সী এই তারকা হতাশা লুকাতে পারেননি। স্টকহোমে খেলা শেষ হওয়ার ঘণ্টা কয়েক পর লেভান্ডফস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঠ ছাড়ার একটি ছবি পোস্ট করেন। যার ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছিল ‘টাইম টু সে গুডবাই’, যা তার বিদায়ের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। যদিও নিজে স্পষ্টভাবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।

এর আগে ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় পোলিশ গণমাধ্যমকে লেভান্ডফস্কি বলেছিলেন, ‘আমি এখন কোনও ঘোষণা দেওয়ার অবস্থায় নেই। আমি ক্লাবে ফিরে যাব, যেখানে এখনও কিছু ম্যাচ বাকি আছে। এরই মাঝে মাথায় ঘুরতে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে হবে আমাকে।’

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার পরবর্তী আসর বসবে চার বছর পর। যখন বয়স ৪১ পেরিয়ে যাবে লেভার। বয়সজনিত কারণে সেখানে খেলার সম্ভাবনা খুবই কম। ২০০৮ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে লেভান্ডফস্কি পোল্যান্ড দলের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে ছিলেন। ২০১৪ সাল থেকে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল (৮৯) ও ম্যাচ (১৬৫) খেলার দুটি রেকর্ডই নিজের করে নিয়েছেন।

ক্যারিয়ার নিয়ে এর আগে নিজের ভাবনার স্পষ্ট করেছিলেন লেভান্ডফস্কি, ‘ক্যারিয়ার যত এগোচ্ছে, কিছু মুহূর্তকে আরও বেশি মূল্য দিতে শিখছি। আমি ক্যারিয়ার শেষ করতে ভয় পাই না, বরং তার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি…এটা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কিন্তু সবকিছু নয়।’

জাতীয় দলের হয়ে আরেকটি বড় মঞ্চে খেলতে না পারার এই পরিস্থিতিতে লেভা আন্তর্জাতিক ফুটবলের ভবিষ্যত নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। ক্লাব ক্যারিয়ার নিয়েও দোলাচল রয়েছে, চলতি মৌসুমের পরই বার্সেলোনার সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবটির জার্সিতে ৩৭ ম্যাচে ১৬ গোল করেছেন লেভান্ডফস্কি।


আমার বার্তা/জেএইচ