বড় দল হতে গেলে আইসিসি ইভেন্টে ভালো করতেই হবে: সৌম্য সরকার

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ১৫:১২ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারানোর পর খুব বড় কোনো উল্লাসে মাতেনি বাংলাদেশ দল। একটা ভিডিওতে বরং দেখা যায় ড্রেসিংরুমে আত্মসমালোচনায় মুখর ছিলেন ক্রিকেটাররা। এমনকি কম কথা বলা লোক বলে পরিচিত মোস্তাফিজুর রহমান নিজেদের ঘাটতির জায়গা দেখিয়ে সত্যিকারের বড় দল হওয়ার তাড়না দিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে সুর মেলালেন ওপেনার সৌম্য সরকার। বাঁহাতি ব্যাটারের মতে বড় আসরে ভালো করলেই মূলত সবাই গোনায় ধরবে।

সেই ২০১৫ সাল থেকেই ওয়ানডেতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ভালো করে আসছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড ছাড়া এখানে আসা সব দলকেই হারিয়েছে তারা। তবে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা এশিয়া কাপে গেলেই থাকছে না দাপট।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অল্প রানে অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেট পড়ার পর শতরানের জুটি হওয়াকে দলের ঘাটতি হিসেবে তুলে ধরে সেদিন বক্তব্য দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার মতে বড় দল হলে এসব পরিস্থিতিতে ভিন্ন কিছু দেখা যেত।

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ লক্ষ্য করে নিজেদের তৈরি করছে বাংলাদেশ দল। ঘরের মাঠে এসব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জেতার আনন্দ যেমন থাকবে, আগামীর কঠিন চ্যালেঞ্জে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর বাস্তব চিন্তাও করা দরকার মনে করেন সৌম্য।

শনিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো একটা বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলে তখন নতুন করে দল চিন্তা করে পরের বিশ্বকাপে কীভাবে ভালো করা যায়। মোস্তাফিজ যে কথাগুলো বলেছে অবশ্যই ঠিক। বড় দল হতে গেলে আইসিসি ইভেন্টে ভালো করতেই হবে। কাজেই আমরাও চাচ্ছি যেন একটা দল হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে এমন কিছু করতে পারি যেন টিমকে অনেক বড় উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি।’

প্রথম ওয়ানডেতে একাদশে ছিলেন না সৌম্য। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শুরুর দিকেও একাদশে বিবেচিত হননি তিনি। অথচ ঠিক আগের সিরিজেই তিনি ছিলেন সেরা ব্যাটার। এবারও শুরুতে না থাকার পর সাইফ হাসানের ব্যর্থতায় সুযোগ মেলে। একাদশে ফিরে কঠিন কন্ডিশনে করেন ৪২ রান। রানটা আরও বড় করার সুযোগ হাতছাড়া করলেও ঘাটতির জায়গা শুধরে নিজেকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন তিনি।

রোববার সকাল ১১টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের তৃতীয় ওয়ানডে। প্রথম দুই ম্যাচেই সিরিজ জিতে যাওয়ায় বাংলাদেশের সামনে হোয়াইটওয়াশের মিশন।

এই ম্যাচেও কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে সেরা সমন্বয় খেলানোর পক্ষে তিনি, ‘এটা ম্যানেজমেন্টের বিষয় (কারা খেলবে)। তারপরেও বলব, আমার দিক থেকে জিজ্ঞাসা করলে বলব যে পরীক্ষা না করাটাই ভালো কারণ অনেক বড় দলের সঙ্গে আমরা খেলছি। ৩-০ অনেক বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হবে। তো যারা সেরা আছে তাদেরকেই খেলানো উচিত।’


আমার বার্তা/এমই