শিরোনাম :

  • আজ পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ যে চ্যানেলে দেখা যাবে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ সৌদি অ্যারামকোতে প্রথমবারের মতো নারী প্রধান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় রক্তবন্যা, ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত
ভৈরবে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ২৩ কোটি টাকার সার গায়েব মামলা
ভৈরব প্রতিনিধি :
০৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:৪৭:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+




ভৈরবে বিএডিসি গুদামের ২৩ কোটি টাকার সার গায়েব মামলার বিচার কাজ ৫ বছরেও শেষ হচ্ছে না। ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্য ৩০ জনের সাক্ষ্য গত বছরই শেষ হয়েছে। কিন্তু গত দুই বছর যাবত দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা পাল কমল চন্দ্র শারীরিক অসুস্হতা দেখিয়ে আদালতে সাক্ষী দিতে উপস্থিত হচ্ছে না। মাস কয়েক আগে একবার আদালতে উপস্থিত হয়ে আংশিক সাক্ষ্য দিলেও পরবর্তী আবারও অসুস্থতা দেখিয়ে দুটি তারিখে হাজির হননি। একই কারণ দেখিয়ে সর্বশেষ গত ৩০ অক্টোবরও সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসেননি তিনি। ফলে বিচারক আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। ময়মনসিংহ দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মামলায় ৭ আসামির মধ্য এক নম্বর আসামি গুদামরক্ষক চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মৃত্যুবরণ করায় মামলার বিচার নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর ভৈরব বিএডিসি গুদাম থেকে ২৩ কোটি টাকা মূল্যের ৯৬ হাজার ২০০ বস্তা সার গায়েব হয়ে যায়। ঘটনাটি ১৭ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ হলে কর্তৃপক্ষ সেদিনই গুদামটি সিলগালা করে দেয়। এ সময় পালিয়ে যান গুদামরক্ষক খোরশেদ আলম ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক (সার) মো. রেজাউল করিম। এ ঘটনায় সংস্থার যুগ্ম-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ বাদী হয়ে ভৈরব থানায় দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটি ময়মনসিংহ দুদকের সহকারী পরিচালক পাল কমল চন্দ্রকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।

তদন্ত শেষে কিশোরগঞ্জ আদালতে সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন তিনি। তারা হলেন- গুদামরক্ষক খোরশেদ আলম, সহকারী পরিচালক (সার) রেজাউল করিম, বিএডিসির সাবেক যুগ্ম- পরিচালক আ. আহাদ, সার ডিলার হারিছুল হক, লিটন সাহা, সবুজ মিয়া ও গুদামের সর্দার রতন মিয়া।

তাদের মধ্যে খোরশেদ আলম ও রেজাউল করিমকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে বাকি আসামিরা ময়মনসিংহ আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন অ্যাড. সঞ্জীত কুমার সঞ্জু, দুদকের পক্ষে অ্যাড. কফিল উদ্দিন মাহমুদ। অপরদিকে আসামি পক্ষে আছেন অ্যাড. বিশ্বনাথ বণিকসহ একাধিক আইনজীবী।

মামলার বাদী মো. শহীদুল্লাহ সোমবার জানান, গত দু’বছরে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য আদালত ১০বার নোটিশ পাঠায়। কিন্ত বার বার অসুস্হতা দেখিয়ে তিনি উপস্থিত হচ্ছেন না। গত চারমাস আগে আদালতে এসে আংশিক সাক্ষ্য দিয়ে গেলেও গত দুটি তারিখে আসেননি।

তিনি বলেন, মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ আলমের মৃত্যুর পুলিশি রিপোর্ট পেতেই ৬ মাস লেগেছে। এসব নানা কারণে বিচার কাজে বিলম্ব হচ্ছে।



আমার বার্তা/০৪ নভেম্বর ২০১৯/রহিমা


আরো পড়ুন