শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
বিতর্কিত হাইব্রিড নেতা নাজমুলের কূটকৌশলের কাছে অসহায় রাজনগরের প্রকৃত আওয়ামী লীগ নেতারা
২৮ নভেম্বর, ২০২১ ১০:৫৭:৩৭
প্রিন্টঅ-অ+

মৌলভীবাজারের ৭নং কামারচাক ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হক সেলিমের অনিয়মের ফিরিস্তি  এলাকাবাসীর মুখে মুখে। স্থানীয় বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা থেকে ক্ষমতাসীন দলে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে পরিচিত চেয়ারম্যান নাজমুল হক সেলিম জেলা যুবলীগের সহ সভাপতির পদ বাগিয়ে ইউনিয়নের ত্যাগী নেতাদের চাওয়া-পাওয়ার তোয়াক্কা না করে ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করেন।


সর্বশেষ দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনগর উপজেলায় নাজমুল হক সেলিম লাগাতার উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে থাকেন। সেই সাথে বিষয়টিকে স্থানীয়ভাবে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটান বলে চেয়ারম্যান নাজমুল হক সেলিমের বিরুদ্ধে রাজনগর থানা পুলিশ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নিকট লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।


জানা যায়, কুমিল্লার ঘটনার কয়েকমাস আগেও নাজমুল হক সেলিমের নেতৃত্বে স্থানীয় মন্দিরে ভাঙচুরের দায়ে মন্দির কমিটি স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাজমুল হক সেলিম ধামাচাপা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এক সময় স্থানীয় জামাতের রাজনীতির ফ্রন্ট সাইটে থাকলেও পরে জামায়াত কোনঠাসা হওয়ায় বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের বিপক্ষে সরকার পতনের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সুযোগ বুঝে যুবলীগে অনুপ্রবেশ করেই ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কোনঠাসা করে সুকৌশলে নিজের প্রভাব বিস্তার করেন। নাজমুল হক সেলিম নিজের প্রভাব ও ক্ষমতা আরো পোক্ত করতে দায়িত্বশীলদের চোখে ধূলো দিয়ে যেকোনো মূল্যে এবারো মনোনয়ন বাগিয়ে নিবেন বলে এলাকায় চাউর।


এ বিষয়ে জানতে নাজমুল হক সেলিমের মুঠোফোনে কল দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।


আমার বার্তা/গাজী আক্তার

আরো পড়ুন