শিরোনাম :

  • বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পেশাগত দক্ষতা ও সততার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৩৬ ডেঙ্গু রোগী এবার কিউলেক্স মশা নিধনে মাঠে নামছে ডিএনসিসি বঙ্গবন্ধু মানমন্দিরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা
হলি আর্টিসান মামলার সাক্ষ্য ২৪ এপ্রিল
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ১৪:৪৮:৫২
প্রিন্টঅ-অ+


রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিসানে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৪ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ দিন ধার্য করেন।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেন আনোয়ারুল আজিম, মমতাজ পারভীন ও রিনা খান। সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন আসামীপক্ষের আইনজীবীরা। তারা তিনজনই বাড়িওয়ালা। তাদের বাসায় জঙ্গিরা বিভিন্ন নামে ভাড়া থাকতেন। এ নিয়ে ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তখন তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। এদের মধ্যে আটজন বিভিন্ন অভিযানে ও পাঁচজন হলি আর্টিসানেই নিহত হন।

হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এ নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

এ ছাড়া এ মামলায় আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।



আমার বার্তা/১৭ এপ্রিল ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন