শিরোনাম :

  • তথ্যমন্ত্রীর বিমান ভারতে মৌমাছির কবলে বৃষ্টি কেড়ে নিলো প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টি২০ রাবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ শিশু সায়মা হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৭ অক্টোবর ইমরানের ওপর হামলা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৩ অক্টোবর
সড়কে রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : শেষ তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৫ জুন, ২০১৯ ১৮:৫৯:২২
প্রিন্টঅ-অ+


রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের মামলার শেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েসের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য শেষে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এদিন তার জেরা শেষ না হওয়ায় পরবর্তী জেরার জন্য আগামী ৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ মামলায় ৪১ সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ২৯ জুলাই দুপুরে চালক ও তাদের সহকারীরা বেশি লোক ওঠানোর লোভে যাত্রীদের কথা না শুনে এবং তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কের ঢালের সামনে রাস্তা ব্লক করে দাঁড়ায়। এ সময় আরেকটি বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪-১৫ জন শিক্ষার্থীর ওপর বাস উঠিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং নয়জন আহত হন।

নিহতরা হলেন- ওই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬)। ওই দিন বাস দুটি একাধিকবার একে-অপরকে ওভারটেক করে।

পরে দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।

জাবালে নূরের যে তিন বাসের রেষারেষিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোর নিবন্ধন নম্বর হলো- ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯২৯৭, ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৬৫৭ এবং ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৫৮০। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯২৯৭ নম্বর বাসের চাপায় নিহত হন দুই শিক্ষার্থী। বাসটি চালাচ্ছিলেন মাসুম বিল্লাহ।

ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৬৫৭ নম্বর বাসের চালক ছিলেন জুবায়ের এবং ঢাকা মেট্রো ব-১১-৭৫৮০ নম্বরধারী বাসের চালক ছিলেন সোহাগ।

গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন। ২৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েস আসামিদের অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

অভিযুক্ত ছয় আসামি হলেন- জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং তাদের দুই সহকারী এনায়েত হোসেন ও কাজী আসাদ। এর মধ্যে শাহাদাত হোসেনের মালিকানাধীন বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। কাজী আসাদ ও জাহাঙ্গীর আলম এখনও পলাতক।



আমার বার্তা/২৫ জুন ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন