শিরোনাম :

  • ঢামেক হাসপাতালে নবজাতক রেখে নিখোঁজ বাবা-মা নেতাকর্মীদের কাছে পাত্তাই পেলেন না শোভন অস্ট্রেলিয়ার সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করাচ্ছে ইংল্যান্ড সৌম্য-লিটনও পারে, প্রয়োজন শুধু বিশ্বাস : ব্যাটিং কোচ পাকিস্তান সিপিএল থেকে নিজেদের বোলারকে ফিরিয়ে নিল
ফারুকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২০ আগস্ট, ২০১৯ ১৬:৩০:২৬
প্রিন্টঅ-অ+


রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় ভবনের অন্যতম মালিক এসএমএইচআই ফারুকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পুলিশ তাকে হাজির করলে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক আবুবকর সিদ্দিক।

অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকা থেকে ফারুককে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এদিকে গতকাল একই মামলায় ভবনটির অন্যতম মালিক ও কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসভীর-উল-ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদক তাকে গ্রেফতার করে।

গত ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জন নিহত হওয়ার পর ওই ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের বিষয় বেরিয়ে আসে। বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ে ওই ভবনের জমির মূল মালিক ছিলেন প্রকৌশলী এসএমএইচআই ফারুক। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ভবনটি নির্মাণ করে রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেড।

নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে ভবনটিতে কয়েকটি তলা বাড়ানোর অভিযোগে গত ২৫ জুন তাসভীরসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদক কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক দুটি মামলা করেন। একটি মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্সের (রাজউক) ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারকে ১৯তলা থেকে বাড়িয়ে ২৩তলা করা, উপরের ফ্লোরগুলো বন্ধক দেয়া ও বিক্রি করার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

অপর মামলায় এফআর টাওয়ারের ১৫তলা পর্যন্ত নির্মাণের ক্ষেত্রে ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮তলা পর্যন্ত বাড়ানোর অভিযোগ করা হয়।

১৯৯০ সালে ১৫তলা ভবন নির্মাণের জন্য রাজউক থেকে অনুমতি নেয় এফআর টাওয়ার কর্তৃপক্ষ। পরে সেই একই নকশা দেখিয়ে ১৯৯৬ সালে ১৫তলার জায়গায় ১৮তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেওয়া হয়। তবে দুদকের মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ওই অনুমোদন দেয়ার বিষয়টিও ছিল ‘অবৈধ’।



আমার বার্তা/২০ আগস্ট ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন