শিরোনাম :

  • দেশে পুরুষের গড় আয়ু ৭১, নারীর ৭৫চট্টগ্রামে একদিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৮আবদুল মতিন খসরুর আসন শূন্য ঘোষণামধ্যরাতে হেফাজতের সহকারী মহাসচিব আতাউল্লাহ গ্রেফতারহেফাজত নেতাদের মুক্তি দাবি মান্নার
মেহেরপুরে হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত
মেহেরপুর প্রতিনিধি :
২৯ অক্টোবর, ২০২০ ১৫:৩৮:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+


মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের আবু বক্কর শাহ হত্যা মামলার রায়ে আটজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আব্দুস সালাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে এনামুল হক, আবদুল লতিফের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, মিলু শাহার ছেলে আব্দুল বারী, চেঙ্গাস শাহার ছেলে রমজান শাহা, মিলু শাহার ছেলে মোহাম্মদ শাহা, তৈয়ব আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেনের ছেলে আলতাফ হোসেন এবং আমজাদ শাহার ছেলে মিন্টু শাহা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৪ জুন গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে আবু বক্কর শাহা সকাল সোয়া ৭টার দিকে করমদি মাঠে ঘাস কাটছিলেন।

এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আবু বক্কর শাহার ওপর হামলা চালান আসামিরা। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আবু বক্কর শাহা গুরুতর আহত হন।

পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আবু বক্কর শাহার ছেলে শাহাবুদ্দিন শাহা বাদী হয়ে গাংনী থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সফিউদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম পর্যায়ক্রমে মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেন এবং আদালতে চার্জশিট দেন। এই মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষ্য দেন।

এতে এনামুল হক, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুল বারী, রমজান শাহা, মোহাম্মদ শাহা, সিরাজুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন ও মিন্টু শাহার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্য এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, অ্যাডভোকেট একেএম শফিকুল আলম।



আমার বার্তা/২৯ অক্টোবর ২০২০/জহির


আরো পড়ুন