শিরোনাম :

  • আজ শুভ জন্মাষ্টমী আজ দেশের ১২ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না বার্মিংহামে প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড
ফটো সাংবাদিক রেহেনার অকাল মৃত্যুতে ঢাকা আহসানিয়া মিশন কে দায়ী করে মানববন্ধন
রফিকুল ইসলাম পিন্টু :
০৭ জুলাই, ২০২০ ১৯:১৮:৩৪
প্রিন্টঅ-অ+


ফটো সাংবাদিক রেহেনা আক্তারের অকাল মৃত্যুতে জাতীয় প্রেসক্লাব এর সামনে মানববন্ধন করেছেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ফটো সাংবাদিক রেহেনার বড় ভাই ফজিত শেখ বাবুর নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত সাংবাদিক -আত্মীয় পরিজন।বক্তারা রেহেনার অকাল মৃত্যুর জন্য আহছানিয়া মিশন কর্তৃপক্ষ কে পুরোপুরি দায়ী করেন।ফজিত বাবু বলেন, ছোট বোন হেহেনা কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা আমি বা আমার পরিবারের পক্ষে অসাধ্য ছিল।তিনি আরো বলেন এ সময় আমার কর্মস্থল দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের মালিকপক্ষ আমার বেতন-ভাতা পরিশোধ করছিল না। রোহিঙ্গাদের নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী করতে কানাডা যাওয়ার কারণে অফিস থেকে তদন্ত

চলাকালীন সময়ে বে-আইনীভাবে আমাকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।পাওনা রয়েছে ছয় লাখ টাকার ওপরে। ছোট বোনের অসুস্থতা ও চিকিৎসার বিষয়টি অফিসকে লিখিত ভাবে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে জানানো হয়েছে। তাতেও কোন ফল আসে নাই, প্রতিষ্ঠান টি আমার পাওনার এক পয়সা পরিশোধ করে নাই।কোনো উপায়য়ান্ত না দেখে ঢাকা আহছানিয়া মিশন কর্তৃপক্ষ পরিচালিত ক্যান্সার হাসপাতালে আমার বোনের চিকিৎসার জন্য আবেদন করি এবং আমি আরো উল্লেখ করি চিকিৎসার জন্য যা ব্যয় হবে তা যেন আমার পাওনা থেকে কেটে নেওয়া হয়।কিন্ত তারপরও প্রতিষ্ঠানটি মানবিক দৃষ্টিকোন থেকেও কোন কিছু করার প্রয়োজন বোধ করেন নাই।অর্থাভাবে বোনের চিকিৎসা ভালভাবে করা সম্ভব হয় নাই এবং সে গত ২৯জুন ২০২০ তারিখে সন্ধ্যা ৬টা ১৫মিনিটে বাসায় মারা যায়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন আমার বিশ্বাস আমার বোনের ভালভাবে চিকিৎসা

হলে বেচে থাকত।ঢাকা আ্হছানিয়া মিশন নামক একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান এ-র এহেন অমানবিক পৈশাচিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

রেহেনার মা ফজিলা বেগম বলেন, আমার ছেলে বাবুর বোনের চিকিৎসার জন্য পাগল প্রায় অবস্থা হয়েছিল। একদিন সে আমাকে বলে মা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ক্যান্সার হাসপাতাল আছে। আমার টাকার পরিবর্তে সেখানে আমার বোনের চিকিৎসার জন্য আবেদন জানাবো।এ-ই বলে সে দীর্ঘদিন ঢাকা আহছানিয়া মিশনে দৌড়াদৌড়ি করেন এ-ই কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পরেন।

রেহেনার বড় মেয়ে রাদিয়া ইসলাম বলেন, আমার বড় মামা আমার মাকে যেভাবে মানুষ করেছেন,

আমাদের দুই বোনকে তেমনি করে মানুষ করবেন ইনশাল্লাহ।আপনারা সকলেই মামার জন্য দোয়া করবেন আর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বিষয়টি দয়া করে দেখবেন।

মানববন্ধনে প্রয়াত ফটো সাংবাদিক রেহেনার দুই মেয়ে রাদিয়া, রাবাতা এবং তাদের বাবা বাচ্চু মিয়া, রেহেনার মা সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।



আমার বার্তা/০৭ জুলাই ২০২০/জহির


আরো পড়ুন