শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
প্রেমিকাকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ দাবি
২৫ জুলাই, ২০২১ ১০:৫০:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


অনলাইনে প্রেমের সূত্র ধরে প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান কিশোরী। পরে সেই কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি দিয়ে পরিবারের কাছে দাবি করা হয় মুক্তিপণ।

পুলিশের ফেসবুক পেজে এমন একটি বার্তার সূত্র ধরে শুরু হয় তদন্ত। অবশেষে ওই কিশোরীকে উদ্ধারসহ আটক করা হয় প্রেমিক যুবককে।

পুলিশ জানায়, ঈদের দিন (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় পুলিশের ফেসবুক পেজে আসা একটি বার্তায় জানা যায়, এক কিশোরীকে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানা এলাকা থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। মুক্তিপণ না দিলে তাকে দৌলতদিয়া ঘাটে পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

বার্তা পেয়ে পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ সঙ্গে সঙ্গে মুক্তাগাছা থানার ওসি মোহাম্মদ দুলাল আকন্দকে বিষয়টি জানায়। দ্রুততম সময়ে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মুক্তাগাছা থানার ওসি প্রযুক্তির সহায়তায় ও প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারেন মেয়েটির বর্তমান অবস্থান রাজবাড়ি পাংশা থানা এলাকায়। তাৎক্ষণিকভাবে পাংশা থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানকে ওসি মুক্তাগাছার সঙ্গে সমন্বয় করে অপহৃত মেয়েটিকে উদ্ধার করতে নির্দেশনা দেয় মিডিয়া

অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা জানান, কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য ওসি পাংশা এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দু’টি টিম করা হয়। সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশের সাইবার ও ডি‌বি টিমসহ পুলিশের একাধিক টিমের প্রচেষ্টায় কিশোরীকে শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজবাড়ির পাংশা থানাধীন পিড়ালীপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়। একইসময় অপহরণকারী দুর্জয় নামে ওই প্রেমিককে আটক করে পুলিশ।

উদ্ধারের পর কিশোরীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে অনলাইনে পরিচয়ের সূত্র ধরে দুর্জয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মেয়েটির। এক পর্যায়ে বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে দুর্জয়ের সঙ্গে পালিয়ে যান তিনি। দুর্জয় কিশোরীকে প্রথমে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তারপর, সেখান থেকে তার নানাবাড়িতে রেখে আসেন।

কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি দুর্জয়কে ভালবাসেন এবং তার সঙ্গেই থাকতে চান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্জয়ের দিকের কেউ বা এলাকার কোনো চক্র কোনোভাবে মেয়েটির পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সুবিধা আদায় করতে চেয়েছিলেন।  

এ বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের খুঁজে বের করে শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানায় পুলিশ।

আমার বার্তা/ এইচ এইচ এন


আরো পড়ুন