শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
অটোরিকশা চালককে গাছে বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে হত্যা
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:২৭:১৭
প্রিন্টঅ-অ+

কুমিল্লার তিতাসে আশরাফুল আমিন (১৬) নামে এক অটোরিকশা চালককে গাছে বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে।


শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর)পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া এলাকা থেকে ওই অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আশরাফুল আমিন তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আল-আমিনের ছেলে। সে তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।


করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছিল সে। নিহতের বাবা আল-আমিন বলেন, আমরা পিতাপুত্র দুজনেই গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশা চালাই। বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে গৌরীপুর বাজারে আমাকে দেখে আশরাফুল বলে বাবা আমার গাড়িতে চার্জ নাই, আমি বাড়ি চলে যাই। তখন আমি বলি ঠিক আছে গাড়ি গ্যারেজে চার্জে লাগিয়ে বাসায় চলে যাও। এই কথা বলে আমি যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর চলে যাই।


তিনি বলেন, রাত ৯টার দিকে আমি শাহপুর নদীরপাড়ে সাদ্দামের গ্যারেজে গিয়ে দেখি আমার ছেলের গাড়ি নেই। গাড়ি না থাকায় আমার মনে সন্দেহ হলে, তখন থেকেই তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও তিতাস থানা পুলিশকে জানাই। তারা আমাকে বলে রাতে সম্ভাব্য যায়গায় খোঁজ করে না পেলে সকালে আসবেন।


আল-আমিন বলেন, সকালে গৌরীপুর বাজারে এসে জানতে পারি দৈয়াপাড়া এলাকায় গাছের সঙ্গে বেঁধে এক ছেলেকে মেরে রাখছে। দৌড়ে ওখানে গিয়ে দেখি আমার ছেলে আশরাফুল।


গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আমগাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় আশরাফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। অদূরে নিহতের অটোরিকশাটি পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।


আমার বার্তা/ এইচ এইচ এন

আরো পড়ুন