শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের উৎপাদন-মুনাফা বাড়বে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১০ মার্চ, ২০১৯ ১৩:০১:১৩
প্রিন্টঅ-অ+

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলন করা সম্পূর্ণ অর্থ ব্যবহার এবং সফলভাবে নতুন মেশিন স্থাপন করেছে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি ভিএফএস থ্রেড ডাইং।


এতে কোম্পানিটির মুনাফা ও উৎপাদন বাড়বে বলে জানিয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানানো হয়।


ডিএসই জানিয়েছে, নতুন মেশিন স্থাপনের ফলে চলতি বছরে ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে ১৯ লাখ ৭২ হাজার ৭১ আইবিএস। এতে বছরে বিক্রি বাড়বে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা। আর কর পরবর্তী মুনাফা বাড়বে ২২ কোটি টাকা। নতুন মেশিন স্থাপনের আগে কোম্পানিটির বছরে উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৮০ আইবিএস।


পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত বছরের ৩ এপ্রিল ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়কে আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়।


বিএসইসির অনুমোদন নিয়ে কোম্পানিটি আইপও’র মাধ্যমে ১০ টাকা মূল্যে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করে।


পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করা টাকা যন্ত্রপাতি ও সরাঞ্জম ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে বলে পুঁজিবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানায় কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ।


পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের লক্ষ্যে গত ২৪ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন গ্রহণ করে।


আইপিওতে অতিরিক্ত আবেদন জমা পড়ায় ১৯ জুলাই শেয়ার প্রাপ্ত বিনিয়োগকারী নির্ধারণে লটারির আয়োজন করা হয়। এরপর ১৩ আগস্ট লটারি বিজয়ীদের বিওতে শেয়ার পাঠানো হয়।


বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ফলে গত বছরের ৯ সেপ্টম্বর থেকে শেয়ারবাজারে ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়।


আইপিও অনুমোদন দেয়ার সময় বিএসইসি জানায়, ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯০ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি আয় ভারিত গড় হারে হয়েছে ২ টাকা ২ পয়সা।


কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং ফাস্ট সিকিউরিজি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।


আমার বার্তা/১০ মার্চ ২০১৯/রিফাত

আরো পড়ুন