শিরোনাম :

  • এডিস মশা নিধনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ আজ বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসআকাশ মেঘলা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে সংসদে এরশাদের জানাজা সম্পন্ন মঈন-রশিদ ধর্মীয় কারণে শিরোপা উদযাপন করলেন না
ভবনটির নকশা পছন্দ হয়নি প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক :
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:৪৪:২৩
প্রিন্টঅ-অ+


সমাজের অনগ্রসর, সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষদের সহায়তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই বিবেচনায় সমাজকল্যাণ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়।

৭৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নিজস্ব জায়গায় ভবনটি নির্মাণ করা হবে। একনেক সভায় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ভবনটির একটি নকশা তুলে ধরেন। তবে একনেক সভার চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভবনটির নকশা পছন্দ হয়নি।

একনেক সভা শেষে পাস হওয়া প্রকল্পগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরার সময় সমাজকল্যাণ ভবনটির নকশা প্রধানমন্ত্রীর অপছন্দের হওয়ার বিষয়টি জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি একটি ভবনের ডিজাইন এসেছিল আজকে। ১৩ তলা ভবনের ডিজাইন। এই ভবনের যে ডিজাইন, এতে উনি একমত নন। এটা কর্পোরেট ডিজাইন। বাক্সের ওপরে বাক্স। যেন ম্যাচ বক্সের ওপরে ম্যাচ বক্স। উনি বলেন, আলো-বাতাস থাকে না।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘উনি আগেও কয়েকবার বলেছেন, আজকেও আবার বলেছেন। প্রধান স্থপতি যারা ছিলেন, আপনারা দয়া করে আপনাদের ডিজাইনগুলোকে আরও মানবিক করেন। আরও পরিবেশ বান্ধব করেন। আরও আলো-বাতাস আসার সুযোগ করে দেন।

বারান্দাসহ চারপাশে চলাফেরার ব্যবস্থা করে দেন। আগুন থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখেন।’ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ ও গণপূর্ত অধিদফতর ‘সমাজকল্যাণ ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২১-এর জুনের মধ্যে সরকারি অর্থায়নে এই ভবন নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো বহুতল ভবনটি নির্মাণের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ পরিষদের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একই ভবনে নিয়ে আসা। জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) সুরক্ষা ট্রাস্টের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাফতরিক একোমোডেশন নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানো।

আর দেশব্যাপী দুঃস্থ ব্যক্তিদের জন্য সেবা/ স্বেচ্ছাসেবী/ সমাজকল্যাণমূলক সংগঠনগুলোর উন্নয়ন, সক্ষমতা বাড়ানো ও অন্যান্য সরকারি সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ।

প্রকল্পের যৌক্তিকতায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ ১৯৫৬ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি প্রকল্প প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে সরকারকে পরামর্শ প্রদান, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি, গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহ প্রদান, সমাজকল্যাণ কাজে নিয়োজিত ও আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গকে সহায়তা ও স্বীকৃতি প্রদান, সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং প্রতিকারে উপায় নির্ধারণে গবেষণা পরিচালনা, সমাজের অনগ্রসর, সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়, ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা কাজ করে যাচ্ছে।

আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে নিজস্ব জায়গায় ‘সমাজকল্যাণ ভবন’ নামে বহুতল ভবন নির্মিত হলে পরিষদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হবে।



আমার বার্তা/ ৩০ এপ্রিল ২০১৯ /রিফাত


আরো পড়ুন