শিরোনাম :

  • ব্যাংকের তহবিল ব্যয়ে আসছে নতুন নীতিমালা দেশে ফিরেছেন ১২ হাজার ৫৫২ হাজি মক্কায় আরও এক বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু উলভসে হোঁচট খেল ম্যানইউ আশকোনায় জঙ্গি আস্তানা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৯ অক্টোবর
ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৯ মে, ২০১৯ ১২:১৭:১৩
প্রিন্টঅ-অ+


 ঈদকে সামনে রেখে হঠাৎ বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে দুইদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ টাকা, খুচরা বাজারে বেড়েছে ৮ থেকে ৯ টাকা। ব্যবসায়ীরা বাজারে পেঁয়াজের সঙ্কটের কথা জানালেও ক্রেতারা বলছেন, এসব ব্যবসায়ীদের ‘কারসাজি’।

মঙ্গলবার (২৯ মে) বিকেলে খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনে ভারতীয় নাসিক জাতের যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে। মাত্র চার দিনের দিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে ২৬ টাকা কেজিতে। একই পেয়াঁজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩১ টাকা দরে। যদিও রমজান শুরুর আগে ভারতীয় পেঁয়াজ ১২ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল।ভারতীয় সুখসাগর পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়, যা খুচরা ২৮ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বেলডাঙা ২৫ থেকে ২৬ ও খাসখালী জাতের পেঁয়াজ ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে। খুচরা বাজারে এ দুই জাতের পেঁয়াজই ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম হটাৎ বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি বাজারে। তিনদিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১১-১২ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৬-১৭ টাকা দরে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে পরিবহন ও বিক্রয় খরচ।

জনতা ট্রেডিংয়ের বিক্রয় কর্মচারী লোকমান জানান, রমজানের আগে ভারতের পেঁয়াজের দাম কম ছিল। তাই অনেক ব্যবসায়ী অতিরিক্ত পেঁয়াজ আমদানি করেন। রমজানের শুরুতে তাই দাম পড়ে যাওয়ার শঙ্কায় আমদানি বন্ধ রাখেন মূলধারার ব্যবসায়ায়ীরা। এতে বাজারে পেঁয়াজের সঙ্কট সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া এ সপ্তাহে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫-৬ টাকা বেড়েছে। বাজারে এরও প্রভাব আছে।

তবে ক্রেতারা বলছেন, রোজার আগে ১৫ থেকে ১৭ টাকায় বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এখন ৩০ টাকা। ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ সঙ্কটের যে কথা বলছেন তা তাদের নিজেদের তৈরি করা। মূলত ঈদের বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে তারা বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ কারসাজি পাইকারি-খুচরা দুই বাজারেই হচ্ছে।

এদিকে ঈদের অজুহাতে আদার দাম প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। স্থিতিশীল আছে রসুনের দাম। কমেছে ভোজ্যতেল, চিনি ও ছোলার দাম।

ব্যবসায়ীরা জানান, ২০ দিনের ব্যবধানে প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম কমেছে সাড়ে ৫ টাকা থেকে সাড়ে ৯ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ২ টাকা৭৫ পয়সা থেকে ৩ টাকা এবং প্রতি কেজি ছোলা ৪ থেকে ৬ টাকা কমেছে।



আমার বার্তা/২৯ মে ২০১৯/রিফাত


আরো পড়ুন