শিরোনাম :

  • অর্ধলক্ষ ছাড়াল ডেঙ্গু রোগী বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ব বন্ধু আখ্যা আজ থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট হজ পালন শেষে মারা গেলেন রোকেয়া বেগম মেসিকে ছাড়া খেলতে নেমে বার্সার পরাজয়
দেশের রফতানি বৃদ্ধি করতে নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৮:১৩:৪৫
প্রিন্টঅ-অ+


বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের রফতানি বৃদ্ধি করতে নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা করেই টিকে থাকতে হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প রাতারাতি বর্তমান অবস্থায় আসেনি। খুবই স্বল্প পরিসরে তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করেছিল। অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আজ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম। আজ দেশের রফতানির প্রায় ৮৪ ভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

তিনি বলেন, অপ্রত্যাশিতভাবে রানা প্লাজা দুর্ঘটনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে ঘুড়ে দাঁড়ানোর পথ দেখিয়েছে। গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ আজ অনেক শক্তিশালী। অনেক দেশে আমরা এ পণ্য রফতানি করতে পারি না। আমাদের পণ্য অন্যদেশ রফতানি করে লাভবান হচ্ছে। সেসব বাজারে আমাদের প্রবেশ করতে হবে। প্রচেষ্টা চলছে, আশা করি আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে আমরা ব্রাজিল-রাশিয়ার মত বড় রফতানি বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সপোর্ট এক্সিবিশন আয়োজিত বাংলাদেশ সরকারের সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এসআরইডিএ) সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি প্রোসপেক্ট অ্যান্ড অবসটেকলস’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও মেশিনারিজ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রফতানিতে আমরা উপযুক্ত মূল্য আদায় করতে পাচ্ছি না। এ জন্য আমাদের বার্গেনিং ক্যাপাসিটি বাড়াতে হবে এবং উৎপাদন ব্যয় কমানো চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আমাদের এনার্জির ব্যবহার কমিয়ে সোলারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিশ্বমানের সোলার প্যানেল এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে এবং বিদেশে রফতানি হচ্ছে। রিসাইকেলিং করে পানির ব্যবহার অনেক কমানো সম্ভব। এতে করে পণ্যের উৎপাদন খরচ অনেক কমে আসবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারব। এ জন্য প্রয়োজন পণ্যের মূল্য নির্ধারণে বার্গেনিং দক্ষতা প্রদর্শন। ক্রেতারা সবসময় চাইবে কম দামে পণ্য ক্রয় করতে। এ ক্ষেত্রে দক্ষতার বিকল্প নেই।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের পণ্যের মান ভালো এবং বিশ্ববাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। চলমান রফতানি বাজারের পাশাপাশি ব্রাজিল ও রাশিয়ার মত বড় বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারলে বাংলাদেশের রফতানি অনেক বাড়বে। আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতি খুবই আন্তরিক। তিনি সার্বিকভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তার অবদান অনেক।



আমার বার্তা/১৮ জুলাই ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন