শিরোনাম :

  • পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই : স্পিকার আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস আজ পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান : রাষ্ট্রপতি
আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন অভিভাবক-সাবেক শিক্ষার্থীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:৩২:২৪
প্রিন্টঅ-অ+


আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন অভিভাবক ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে বুয়েট ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় অভিভাবক ও সাবেক শিক্ষার্থীদের পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে।

বুয়েটে ব্যানার ফেস্টুন হাতে নিয়ে মৌন মিছিল করেছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। ‘ভয় নেই, আমরা আছি তোমাদের সাথে’, ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার বুয়েট’, ‘বিচার চাই’, ‘খুনিদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে মৌন মিছিলে যোগ দেন সাবেক শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বুয়েটের ৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী স্থপতি সৈয়দ ভূইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বুয়েটে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। যা আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত। যা আমরা সাবেক শিক্ষার্থীরা মেনে নিতে পারছি না। অথচ প্রশাসন নীরব থেকে পালিয়ে রয়েছে। ভিসির দেখা এখনো পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে তাই সাবেক শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছি। এ আন্দোলন অন্য দিকে যাতে ধাবিত না হয় এবং প্রশাসনের টনক নড়ে সেটি বোঝাতেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। সাবেক শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিলটি বুয়েট ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

অপরদিকে ‘বুয়েট হোক আমার সন্তানের অভায়শ্রম’, ‘আমার সন্তানের জন্য বুয়েটের হল হবে নিরাপদ স্থান’- এমন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা যায় অভিভাবকদের।

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ইব্রাহীম হাওলাদার বলেন, আমার সন্তানকে বুয়েটে পাঠিয়ে আর নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবো না। আবরার ফাহাদ সন্তান না হলেও আমার সন্তানের বন্ধু ছিল। আজ আবরার মৃত্যু হয়েছে কাল হবে আমার সন্তানের। কোনো বাবা এটি মেনে নিবে না।

তিনি বলেন, এটি বন্ধে আমরা অভিভাবকরা ছাত্রদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছি। বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছি।



আমার বার্তা/০৮ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন