শিরোনাম :

  • ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে ১৭০৬ ডেঙ্গু রোগী দেশে ফিরেছেন ৭৯৮২ হাজি আরও এক বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু নিষিদ্ধই হলেন শাহজাদ জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহ’র দলের ভারপ্রাপ্ত আমিরসহ আটক ৪
বৃদ্ধাশ্রমে অসহায় মায়েদের মুখে হাসি ফোটালেন পূর্ণিমা
বিনোদন ডেস্ক :
২৫ মে, ২০১৯ ১৫:০৭:২৭
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমাকে অনেকদিন বড় পর্দায় দেখা না গেলেও টিভি পর্দায় তিনি বেশ নিয়মিত।গতকাল শুক্রবার তার দেখা মিলেছে একটি বৃদ্ধা আশ্রমে। রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান এলাকার মৈনারটেক জিয়াবাগ বৈকাল স্কুলের পাশে অবস্থিত বৃদ্ধাআশ্রমটির নাম 'আপন নিবাস বৃদ্ধাআশ্রম'।

সেখানে বর্তমানে পঞ্চাশেরও বেশি বৃদ্ধ মা ও বেশ কিছু প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। বয়স্ক অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে এসেছেন তিনি। তাকে কাছে পেয়ে খুশিতে মন ভরছে তাদের। পূর্ণিমা বৃদ্ধাশ্রম ঘুরে এসে সেখানকার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুক পেইজে। যেনো কথা বলছে সেই ছবিগুলোই।

পূর্ণিমা বললেন, ‘ আমি বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলোর সঙ্গে একবেলা খাবার খেয়েছি, তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেখানে গিয়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বৃদ্ধাআশ্রমটিতে প্রায় পঞ্চাশ জনের মত বৃদ্ধ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের বয়সই একশ এর বেশি।

এছাড়া কিছু যুবতি রয়েছে,রয়েছে কিছু প্রতিবন্ধী যারা চোখে দেখতে পায়না। আমার কাছে এটা ভালো লেগেছে যে তারা একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে আছে যেখানে তারা সঠিক যত্নটা পাচ্ছে।’

পূর্ণিমা আরও বলেন, ‘তাদের সঙ্গে সময়টা কাটিয়ে এবং একবেলা খাওয়াতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। শান্তি অনুভব করছি। আমার মত করে আপনারা যারা আছেন সবাই আসুন,তাদের সঙ্গে সময় কাটান একবেলা। সবাইকে অনুরোধ করবো তাদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য।’

আপন নিবাস বৃদ্ধাআশ্রমটির নির্বাহী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দা সেলিনা শেলী বলেন, ‘আমাদের এই বৃদ্ধাআশ্রমে এসেছিলেন সবার প্রিয়মুখ পূর্ণিমা অসম্ভব ভাল মনে মানুষ তিনি। মায়েদের জন্য খাবার এনেছেন, গল্প করেছেন, গান করেছেন আর অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়েছেন। দিনটির কথা আমাদের মা এবং ছোট প্রতিবন্ধি বোনেরা কখনোই ভুলবে না ‘

সৈয়দা সেলিনা শেলী জানান, ২০১০ সালে মাত্র ছয়জন সর্বস্ব হারা , আপনজন হারা এবং আশ্রয়হীন বৃদ্ধা নারী নিয়ে শুরু হয় আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটির যাত্রা। বিভিন্ন রাস্তা, ট্রেন স্টেশন, লোকাল বাজার থেকে এরকম বৃদ্ধা মা যাদের কে নুন্যতম খাবার দেবার মত কেউ নেই তাদেরকে এই আশ্রমে এনে একটুখানি ভালো রাখার চেষ্টায় সেবা করে যাচ্ছেন তারা।



আমার বার্তা/২৫ মে ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন