শিরোনাম :

  • একুশে ফেব্রুয়ারিতে হুমকি নেই, চার স্তরের নিরাপত্তা : ডিএমপি কমিশনার করোনা : সিঙ্গাপুরে আক্রান্ত এক বাংলাদেশির অবস্থা আশঙ্কাজনক মুজিববর্ষের আয়োজনে যোগ দিতে মার্চে আসছেন মোদি কার স্বাক্ষরে হবে দলীয় মনোনয়ন, জানতে চেয়েছে ইসি
এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
বিনোদন ডেস্ক :
১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:৩২:৪৩
প্রিন্টঅ-অ+


ক্যান্সারে আক্রান্ত সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় পূর্ণ সহায়তা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিল্পীর চিকিৎসার পুরো বিষয়টি তদারকি করার জন্য আজ রোববার দুপুরে সিঙ্গাপুর দূতাবাসকে এই সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

জানা গেছে, রোববার দুুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুর দূতাবাসকে এই সংক্রান্ত নির্দেশনা নেন। সিঙ্গাপুর দুতাবাসের একজন প্রতিনিধি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দেখতে যাচ্ছেন। ওই চিকিৎসাধীন রয়েছেন এন্ড্রু কিশোর। অসুস্থ অবস্থায় গত ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন তিনি।

এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা পেতে হানিফ সংকেতের সার্বিক তত্ববধানে পাশে ছিল মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন।

পাঁচ মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন দেশ বরেণ্য এই শিল্পী। এরই মধ্যে ১৭টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে তাকে। এদিকে সম্প্রতি শারীরিক কিছু জটিলতার কারণে গত এক মাস এন্ড্রু কিশোরেকে কেমোথেরাপি দেওয়া বন্ধ রেখেছিলেন চিকিৎসক। জরুরি ভিত্তিকে কয়েক ব্যাগ রক্তও দিতে হয়েছে তাকে। এই খবর আসার পর দেশের শোবিজে একটা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিলো; প্রিয় শিল্পীকে নিয়ে মন্দ সন্দেহের বেদনা-বিষাদে।

তবে সর্বশেষ খবর জানা যায় শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এন্ড্রু কিশোরের। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) থেকে আবারও কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসার শুরুতে জানানো হয়েছিল, এন্ড্রু কিশোরকে ৬টি সাইকেলে ২৪টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। ইতোমধ্যে তার ১৭টি কেমো সম্পন্ন হয়েছে। এবার শুরু হয়েছে ১৮তম কেমোথেরাপিটি। এটা শেষ হলে আর এখনো ৬টি কেমো দেওয়া বাকি।

এদিকে শিল্পীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় দুই কোটিরও বেশি টাকা খরচ করেছে তার পরিবার। এন্ড্রু কিশোরকে বাংলা চলচ্চিত্রের গানের এক মহাসমুদ্র বলা যেতে পারে। কয়েক দশক ধরে সেই সমুদ্রে সাঁতার কেটে চলেছেন শ্রোতারা। তার কণ্ঠ মধু ছড়ায়, তার শত শত গান মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, প্রেম-বিরহ সব অনুভূতির গানই তিনি গেয়েছেন। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে, পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমার ছুঁয়াতে খুঁজে পেয়েছি, সবাইতো ভালোবাসা চায়, বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে, তুমি আমার জীবন আমি তোমার জীবন, ভালো আছি ভালো থেকো, তুমি মোর জীবনের ভাবনা, চোখ যে মনের কথা বলে, পড়েনা চোখের পলক ইত্যাদি।



আমার বার্তা/১৯ জানুয়ারি ২০২০/জহির


আরো পড়ুন