শিরোনাম :

  • তাপমাত্রা বাড়বে ঢাকায়, কমবে কুয়াশা স্যামসাং চীন থেকে ভারতে ডিসপ্লে কারখানা সরিয়ে নিচ্ছে সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক, সম্পর্ক ভাঙলেই বলে ধর্ষণ : কিরন্ময়ী নায়েক দুই গাড়ির সংঘর্ষে রাজস্থানে নিহত ১০
মান্না চলে যাওয়ার ১৩ বছর আজ
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৪:০৬
প্রিন্টঅ-অ+


জনপ্রিয় নায়ক মান্নার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। অসংখ্য ভক্তকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান তুমুল জনপ্রিয় এই নায়ক।

মৃত্যুর পরও ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই নায়কের জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি।

এফডিসিতে আজ বাদ আসর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি কক্ষে নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

মান্না আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। মান্না একজন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ও একজন সফল প্রযোজকও ছিলেন।

১৯৮৪ সালে বিএফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমে মান্না চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন। তার প্রথম অভিনীত সিনেমা ‘তওবা’ (১৯৮৪)। মান্না প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হচ্ছে- ‘সিপাহী’, ‘যন্ত্রণা’, ‘অমর’, ‘পাগলী’, ‘দাঙ্গা’, ‘ত্রাস’, ‘জনতার বাদশা’, ‘লাল বাদশা’, ‘আম্মাজান’, ‘দেশ দরদী’, ‘অন্ধ আইন’, ‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘অবুঝ শিশু’, ‘মায়ের মর্যাদা’, ‘মা বাবার স্বপ্ন’, ‘হৃদয় থেকে পাওয়া’ ইত্যাদি।

২০০৬ সালে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান জনপ্রিয় এ অভিনেতা। মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারও জমা হয়েছে তার প্রাপ্তির ঝুলিতে। মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় তিনি সিক্ত হলেও, তার অনুপস্থিতি দর্শক হৃদয়ে আজও কষ্টের দাগ কেটে যায়।

১৯৬৪ সালের ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার প্রকৃত নাম সৈয়দ মোহাম্মদ আসলাম তালুকদার। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে মান্না ঢাকা কলেজে স্নাতকে ভর্তি হন।


আরো পড়ুন