শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
২০ বছর পর পিকাসোর শিল্পকর্ম উদ্ধার
আমার বার্তা ডেস্ক :
২৮ মার্চ, ২০১৯ ১০:৫৯:২৯
প্রিন্টঅ-অ+


২০ বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে পিকাসোর একটি শিল্পকর্ম। সৌদি শেখের বিলাসবহুল ইয়ট থেকে চুরি হয়ে যায় এটি। আর্ট ওয়ার্ল্ডের ইন্ডিয়ানা জোনস নামে খ্যাত ডাচ গোয়েন্দা আর্থার ব্র্যান্ড এটি খুঁজে বের করেছেন। ছবিটি পাবলো পিকাসোর প্রেমিকা ডোরা মা'রের। ১৯৩৮ সালে প্রথম এই নারীর প্রতিকৃতি আঁকা হয়। যে পেইন্টিং-টির মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৫ মিলিয়ন ইউরো বা ২১ মিলিয়ন পাউন্ড (২৮ মিলিয়ন ডলার)। পেইন্টিংটি শিল্পীর নিজের বাড়িতে ১৯৭৩ সাল অর্থাৎ তার মৃত্যু পর্যন্ত ঝোলানো ছিল।

আর্থার ব্র্যান্ড পিকাসোর এই চিত্রকর্মটি সম্পর্কে বলেন যে, বেশ কয়েক বছর ধরেই এটির খোঁজ করা হচ্ছিল। কখনো এই ছবিটি জালিয়াতির কাজে বা কখনো মাদক বেচাকেনার মূল্য হিসেবেও ব্যবহার হয়েছে। চার বছর আগে অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি হিসেবেও এটি ব্যবহারের তথ্য জানা যায়। অনেকেই মনে করেছিল যে, এটি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে, যেটি প্রায় ৯০ শতাংশ চুরি হওয়া শিল্পের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। কেননা এগুলো পরে আর খোলা বাজারে বিক্রি করা যায় না।

২০১৫ সাল থেকে আর্থার ব্রান্ড এই শিল্পকর্মটির খোঁজ শুরু করেন, যখন তিনি জানতে পারেন যে একটি জাহাজ থেকে পিকাসোর একটি পেইন্টিং চুরি হয়েছে।কয়েক বছরের অনুসন্ধানের পর ব্র্যান্ড জানতে পারেন যে, পেইন্টিংটি বুস্ট ডা ফাম-এর যা কিনা ডোরা মা'রের পোট্রেট হিসেবেও পরিচিত।

একজন বিখ্যাত আলোকচিত্রী এবং শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন ডোরা মার। ১৯০৭ সালে থিওডোর মার্কোভিচে তার জন্ম। ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত পাবলো পিকাসোর সাথে তার সম্পর্ক ছিল। ৮৯ বছর বয়সে ১৯৯৭ সালে ডোরা মার মৃত্যু হয়।

সৌদি ধনকুবের শেখ আবদুল মোহসেন আব্দুলমালিক আল-শেখের বিলাসবহুল ইয়ট থেকে এই শিল্পকর্মটি চুরি হয়ে যায়। সেসময় কোরাল আইল্যান্ডে জাহাজটির কিছু সংস্কারের কাজ চলছিল।

একবার যখন তিনি নিশ্চিত হলেন যে তিনি ঠিক কোন চিত্রকর্মটি খুঁজছেন, তখন থেকে তিনি সেই সব লোকদের কাছে আবেদন করতে থাকেন- যেসব ব্যক্তি এই চিত্রকর্মটির সঠিক পরিচয় না জেনেই হয়তো কিনে থাকতে পারেন।

এই মাসের শুরুর দিকে এসে তার কাছে এর সাড়া মেলে। আর্থার ব্র্যান্ড বলেন, একজন ডাচ ব্যবসায়ীর দু'জন প্রতিনিধি আমার সাথে যোগাযোগ করেন, দাবি করেন যে তাদের মক্কেলের কাছে ছবিটি আছে। ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ডসের পুলিশ জানিয়েছে, তারা পেইন্টিংটির সর্বশেষ মালিকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে না। এখন একটি বীমা কোম্পানি পুরো বিষয়টি দেখছে, তারাই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।



আমার বার্তা/২৮ মার্চ ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন