শিরোনাম :

  • ৬৯ হাজার ৭৬৭ হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে অভিভাবককে গণপিটুনি : ৫শ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জলাবদ্ধতা থেকে রাতারাতি মুক্তি দেয়া সম্ভব নয় : স্থানীয় সরকারমন্ত্রীপ্রিয়া সাহার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মনে করেন না আইনমন্ত্রী
যে চিড়িয়াখানায় বাঘ-সিংহ নেই, রয়েছে তাদের মমি!
আমার বার্তা ডেস্ক :
১৫ জুন, ২০১৯ ১১:৫৬:১৮
প্রিন্টঅ-অ+


গ্রীষ্মকালটা বাদ দিলে মোটামুটি সারা বছরই চিড়িয়াখানাগুলোয় কচিকাঁচাদের ভিড় লেগেই থাকে। প্রচণ্ড গরমের দিনগুলো ছাড়া বিশ্বের যেকোনও প্রান্তেই চিড়িয়াখানার ভিড়ের চেহারাটা মোটামুটি একই রকম। বাঘ, সিংহের মতো ভয়ঙ্কর সব বন্যপ্রাণীদের খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ নিতে কচিকাঁচাদের সঙ্গে চিড়িয়াখানায় ভিড় জমান তরুণ থেকে বৃদ্ধ— সকলেই। কিন্তু এমন চিড়িয়াখানার কথা শুনেছেন যেখানে বাঘ, সিংহ, নেকড়ে, কুমির, বাঁদরের মমি সাজিয়ে রাখা আছে!

শুনতে অবাক লাগলেও এমন চিড়িয়াখানা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গাজায় রয়েছে এই অদ্ভুত চিড়িয়াখানা। নাম সাউথ ফরেস্ট পার্ক। ২০০৭ সালে চালু হয় চিড়িয়াখানাটি। বাঘ, সিংহ, উটপাখি-সহ মোট ৬৫টি প্রাণী জায়গা পায় এই চিড়িয়াখানায়।

কিন্তু তার পরই ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের যুদ্ধের কারণে চিড়িয়াখানাটির কোনও রকম রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে, অনাহারে ১ বছরের মধ্যেই মারা যায় প্রায় সবকটি প্রাণী। শুধু মাত্র একটি বাঘকেই জীবিত অবস্থায় বিক্রি করতে পেরেছিলেন ওই চিড়িয়াখানার মালিক মোহাম্মদ আওয়াইদা।

জানা গেছে, মৃতপ্রায় ওই বাঘটিকে ২৩ হাজার ডলারে বিক্রি করতে পেরেছিলেন চিড়িয়াখানার মালিক। বাকি মৃত প্রাণীদের মমি করে সংরক্ষণ করা হয় এই সাউথ ফরেস্ট পার্কে।

তবে শুধুমাত্র সাউথ ফরেস্ট পার্কেই নয়, যুদ্ধের কারণে এমন পরিস্থিতি হয় গাজার আল বাইসন জু-এর প্রাণীগুলোরও। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে, অনাহারে এখানেও ৮০টির মধ্যে মাত্র ২০টি প্রাণী জীবিত রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালীন, ২০০৯ সালে গাজার অন্য একটি চিড়িয়াখানার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছিল। ছবিতে দেখা যায়, একটি গাধাকে সাদা-কালো ডোরাকাটা রং করে জেব্রা সাজানো হয়েছে। আর তা-ই ভিড় করে দেখছেন ওই চিড়িয়াখানায় আসা দর্শকরা।



আমার বার্তা/১৫ জুন ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন