শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
দেড় বছরে সর্বনিম্ন করোনা শনাক্ত
২১ অক্টোবর, ২০২১ ১৯:৩০:৩৮
প্রিন্টঅ-অ+

করোনাতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ও শনাক্তের হার আরও কমেছে। তবে বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১৮ মাস পর ২৫০ এর নিচে নেমেছে।


বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৪৩ জন। এর আগে গত বছরের ১৪ এপ্রিল ২০৯ জনের কথা জানিয়েছিল অধিদফতর। গতকাল বুধবার ৩৬৮ জন শনাক্তের কথা জানিয়েছিল তারা।


গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ জন, গতকাল ছয়জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছেন অধিদফতর।


গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক ৫১ শতাংশ, গতকাল শনাক্তের হার ছিল এক দশমিক ৮০ শতাংশ।


গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ২৪৩ জনকে নিয়ে করোনাতে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯০৭ জন। মারা যাওয়া ১০ জনকে নিয়ে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ২৭ হাজার ৮০১ জন।


করোনাতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৩৪ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৮৩ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৫ হাজার ৬০৯টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৮টি।


দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ৭১ হাজার ৫২৩টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ৩০ হাজার ৬৫৬টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৭ লাখ ৪০ হাজার ৮৬৭টি।


দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।


২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে পুরুষ চারজন আর নারী ছয়জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৮০৬ জন আর নারী মারা গেলেন ৯ হাজার ৯৯৫ জন।


স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন তিনজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে তিনজন আর ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুইজন।


তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ রোগী মারা গেছেন চট্টগ্রাম বিভাগে চারজন। এরপর ঢাকা বিভাগের আছেন তিনজন আর খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন একজন করে।


মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন আটজন আর বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের।

আরো পড়ুন