শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগী বেডের জন্য হাহাকার রমেক হাসপাতালে
১৫ মার্চ, ২০২২ ১১:৩৮:৪২
প্রিন্টঅ-অ+

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডে একটি বেডের জন্য রোগীদের মাঝে হাহাকার লক্ষ্য করা গেছে। ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগী হওয়ায় ওয়ার্ডের সামনে খোলা বারান্দায় কয়েকশত রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া হৃদরোগ বিভাগের একটি ইউনিটে এসি অথবা ফ্যান না থাকায় গরমে রোগীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।


গতকাল সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে হাসপাতালের এই দৃশ্য। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন সরকার অনুমোদিত বেড রয়েছে এক হাজার। করোনা কারণে রোগী কম থাকলেও বর্তমানে হাসপাতালে রোগী রয়েছে ২ হাজারের ওপর। আপাতত ভোগান্তি থেকে উত্তরণের কোন পথ দেখছেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


রমেক হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় মহিলাদের ওয়ার্ড। এখানে ডায়াবেটিক, গ্যাস্টোলজি, কিডনিসহ  আরও কয়েক ধরনের রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ওয়ার্ডের বেড না পাওয়া রোগীদের ওয়ার্ডের মেঝেতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ওয়ার্ডের মেঝেতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দায় উন্মুক্ত স্থানে মহিলাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে কোনো গোপনীয়তা মানা যাচ্ছে না। এতে রোগী এবং রোগীর স্বজনরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন।


একই অবস্থা শিশু ওয়ার্ডেরও। সেখানেই একটি বেডের জন্য রোগীদের হাহাকার দেখা গেছে। সেখানে ওয়ার্ডে যারা স্থান পাননি তাদের বারান্দায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


রিয়াজুল ইসলাম নামে এক রোগীর স্বজন জানান, তার রোগীর কিডনি সমস্যা। বেড না পাওয়ায় মেঝেতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


বারান্দায় চিকিৎসারত রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন মহিলা ওয়ার্ডে ৮ থেকে ১০ ধরনের রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ফলে ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দায় খোলাস্থানে তাদের বাধ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কয়েকদিন থেকে গরম পড়েছে। বারান্দায় কোনো ফ্যান নেই। রাতের বেলা রয়েছে আলো স্বল্পতা। রাতে রোগীসহ স্বজনরা থাকেন ভীতিকর অবস্থায়।


হৃদরোগ বিভাগের একটি ইউনিটে ফ্যান কিংবা এসির কোনো ব্যবস্থা নেই। গুরুত্বপূর্ণ ওই ইউনিটের রোগীদের কয়েকদিনের গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।


হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম বলেন, হঠাৎ গরমের কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। আপাতত এর কোনো সমাধান নেই। তবে হাসপাতালে আরও একহাজার শয্যা বাড়ানো হচ্ছে। তখন রোগীদের এমন সমস্যায় পড়তে হবে না।

আরো পড়ুন