শিরোনাম :

  • একুশে ফেব্রুয়ারিতে হুমকি নেই, চার স্তরের নিরাপত্তা : ডিএমপি কমিশনার অস্ত্র ঠেকাতে বিমানবন্দরে বসছে অত্যাধুনিক বডি স্ক্যানার সরকার ও জনগণের বন্ধন যত বেশি মজবুত হবে গণতন্ত্র তত টেকসই হবে : রাষ্ট্রপতি কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের দেয়া প্রস্তাব ভারতের নাকচ
ইরানের হামলায় মাথায় আঘাত পেয়েছেন ৩৪ মার্কিন সেনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১০:৪৯:২৮
প্রিন্টঅ-অ+


ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার ঘটনায় ৩৪ সেনা মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ১৭ সেনা এখনও চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকরা তাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। খবর বিবিসি।

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। এর মধ্যেই গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে এক ডজনের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। সে সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, এসব হামলায় কোনো আমেরিকান আহত হয়নি।

তবে গত সপ্তাহে পেন্টাগন জানিয়েছে যে, ওই হামলার কারণে মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যার জন্য ১১ সদস্য চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চলতি সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি শুনেছি তাদের মাথাব্যথা এবং আরও কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে আমি এটা বলতে পারি যে, এগুলো ততটা গুরুতর নয়।

অপরদিকে, ইরাকে আইন আল আসাদ ঘাঁটিতে ইরানের ওই হামলায় কোনো আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যু হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন।

শুক্রবার প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র জোনাথন হোফম্যান সাংবাদিকদের বলেন, মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যা দেখা দেওয়ায় সেনাদের মধ্যে আটজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও নয়জন জার্মানিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরদিকে ইরাকে ১৬ সেনা এবং কুয়েতে এক সেনা চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ১৭ জন চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক কাজে ফিরেছেন বলে কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।



আমার বার্তা/২৫ জানুয়ারি ২০২০/জহির


আরো পড়ুন