শিরোনাম :

  • ত্রাণ তহবিলে দানের আহ্বান ঢাকা উত্তর সিটি মেয়রের প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলে একদিনের বেতন দিল কোস্টগার্ড প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের ১৫ লাখ টাকা তুর্কি সরকারের বিরুদ্ধে ২৮৮ দিনের অনশনে গায়িকার মৃত্যু
বসন্ত উৎসব নিষিদ্ধ হচ্ছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
০৯ মার্চ, ২০২০ ১০:৪৮:৪০
প্রিন্টঅ-অ+


কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবে অশ্লীলতা বিতর্কের জেরে ক্যাম্পাসে পুরোপুরিভাবে বসন্ত উৎসব নিষিদ্ধ করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। চলতি মাসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে বসবে। সেখানে উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী কাউন্সিল সদস্য এবং অধ্যাপকদের মতামত নিয়েই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে।

ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিটি রোড ক্যাম্পাসে উৎসব বন্ধ করে দেয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। সে ক্ষেত্রে বসন্ত উৎসব পুরোপুরি বন্ধ করা হবে নাকি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উৎসব করা হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ওই বৈঠকে।

এ প্রসঙ্গে উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী বলেন, আমরা পুরো বিষয়টা পর্যালোচনা করব। খুব শিগগিরই এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক ডাকছি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রবীন্দ্রভারতীতে দোল উৎসব উদযাপিত হয়েছে। তবে উৎসবে বেশ কিছু ছাত্রীর খোলা পিঠে এবং ছাত্রদের খোলা বুকে বিভিন্ন ‘অশ্লীল’ শব্দ দেখা গেছে। সেই অশ্লীলতার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় বইছে চারদিকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে’ গানকে বিকৃত করে ইউটিউবার রোদ্দুর রায় অনলাইনে ছড়িয়েছিলেন। বিকৃত করা গানে ‘চাঁদ উঠেছিল গগনে’ লাইনের আগে একটি চটুল খিস্তি যোগ করেন রোদ্দুর রায়। সেই খিস্তি লেখা দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের গায়ে।

সংবাদমাধ্যম জানায়, কেবল এঁকেই শেষ করেননি, বিকৃত ওই গানটি গেয়েই ছাত্র-ছাত্রীরা নেচে বেড়িয়েছেন পুরো ক্যাম্পাস। এমনকি যেখানে যেখানে আবীরের রঙ মেখেছেন, সেখানেও তারা দেখিয়েছেন অশ্লীতার চরম পরাকাষ্ঠা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দাবি ওঠে জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।

শিক্ষাপ্রাঙ্গণে এমন অশ্লীল শব্দ নিয়ে বিতর্ক উঠতেই ইস্তফার কথা জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী। শুক্রবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও উচ্চশিক্ষা সচিবকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন।

শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধে অবশ্য ইস্তফা পত্র প্রত্যাহার না করলেও উপাচার্য জানান, শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধেই তিনি আপাতত উপাচার্য হিসেবে রবীন্দ্রভারতীর কাজ চালিয়ে যাবেন।



আমার বার্তা/০৯ মার্চ ২০২০/জহির


আরো পড়ুন