শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আমার বার্তা ডেস্ক :
১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:৪৪:১৭
প্রিন্টঅ-অ+


কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি প্যারিসে মারা যান। পেশায় কূটনীতিক হলেও একাধারে তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর ও সাংবাদিক। তার অমর সাহিত্যকর্ম ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ ও ‘লালসালু’।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে জন্ম নেন। ১৯৩৯ সালে কুড়িগ্রাম হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে ১৯৪৩ সালে ডিসটিংশনসহ বিএ পাস করেন তিনি। ১৯৪৫ সালে দৈনিক স্টেটসম্যানের সাব-এডিটর পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র কর্মজীবনের শুরু। ১৯৪৭ সালে রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রের সহকারী বার্তা সম্পাদক হয়ে ঢাকায় আসেন। ১৯৫১ সালে যুক্ত হন কূটনৈতিক পেশায়।

ফরাসি নাগরিক অ্যান মেরির সঙ্গে ১৯৫৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। তার প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন মেরি। পরে উপন্যাসটি ১৯৬৭ সালে ‘ট্রি উইথআউট রুটস’ নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

ওয়ালীউল্লাহর লেখা উপন্যাস ‘চাঁদের অমাবস্যা’ ও ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য সংযোজন। এ ছাড়া তিনি ছোটগল্প এবং নাটকও রচনা করেছেন। তার দুটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের নাম ‘নয়নচারা’ এবং ‘দুই তীর ও অন্যান্য গল্প’।

তার লেখা নাটক তিনটি হচ্ছে ‘বহিপীর’, ‘তরঙ্গভঙ্গ’ ও ‘সুড়ঙ্গ’।



আমার বার্তা/১০ অক্টোবর ২০১৮/এমবি


আরো পড়ুন