শিরোনাম :

  • তথ্যমন্ত্রীর বিমান ভারতে মৌমাছির কবলে বৃষ্টি কেড়ে নিলো প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টি২০ রাবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ শিশু সায়মা হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৭ অক্টোবর ইমরানের ওপর হামলা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৩ অক্টোবর
ডিএনসিসি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ডিসেম্বরেই শেষ করতে চায়
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:২৫:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে চায় সংস্থাটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় যানবাহন চলাচল সহজতর এবং জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন ডিএনসিসি সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, ১০২৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ২০৬ কিলোমিটার রাস্তা, ২৮৮ কিলোমিটার নর্দমা এবং ১৪৪ কিলোমিটার ফুটপাত নির্মাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ২০.৪২ কিলোমিটার রাস্তা, ৩০ কিলোমিটার নর্দমা এবং ৬৩.৪৬ কিলোমিটার ফুটপাত নির্মাণ ও উন্নয়নের কাজ চলমান আছে। যা চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ করতে চায় ডিএনসিসি।

সম্প্রতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের ডিএনসিসির বাজেট ঘোষাণা অনুষ্ঠানেও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আশা করা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

ডিএনসিসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর কথা উল্লেখ করে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ১৬১.৭২ কিলোমিটার রাস্তা, ২২২.৮২ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়া ১১ হাজার ২২৪টি এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে।

সম্প্রতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩০৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে থেকে ১২৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ছিল ১৮২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি।

নতুন এ বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১১০৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা আগের বছর থেকে ৩১৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি। সরকারি অনুদান ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

সরকারি বিশেষ অনুদান ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর সরকারি অথবা বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরে ছিল ৭০৪ কোটি ১০ লাখ টাকা।



আমার বার্তা/০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন