শিরোনাম :

  • আজ প্রধানমন্ত্রী ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন তিনটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন বিমানে এল ২২৫টি অস্ট্রেলিয়ান গরু সৌদি থেকে ফিরছেন নির্যাতনের শিকার সেই সুমি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি ওয়াটসন
রূপপুর বালিশকাণ্ড : ৭ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১৩:০১:৫৮
প্রিন্টঅ-অ+


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্নীতির অনুসন্ধানে গণপূর্ত অধিদফতরের আরও সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ইতোমধ্যে গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশল মো. শফিকুল ইসলাম ও সুমন কুমার নন্দি হাজির হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।

আরও যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তারা হলেন- রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন উদ্দিন ও মো. জাহিদুল করিম।

এর আগে গতকালও (৬ নভেম্বর) গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে ওএসডি) মাসুদুল আলমসহ সাত প্রকৌশলীকে এ সংক্রান্ত দুর্নীতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দুদক। তবে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি মাসুদুল আলম।

গত ৩ নভেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবরসহ মোট ৩৩ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেয় দুদক।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের বিষয় গত ১৭ অক্টোবর দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে। অনুসন্ধান দলের অপর দুই সদস্য হলেন-দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গত ১৯ মে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

দুর্নীতির নমুনা তুলে ধরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে বালিশের দাম ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা, আর আর সেই বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ ৭৬০ টাকা করে দেখানো হয়েছে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দুই কমিটির তদন্তেই ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের কথা উঠে আসে। হাইকোর্টের নির্দেশে গত জুলাই মাসে আদালতে জমা দেওয়া ওই তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্নীতির জন্য ৩৪ জন প্রকৌশলীকে দায়ী করা হয়।



আমার বার্তা/০৭ নভেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন