শিরোনাম :

  • ঢাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা করোনার ছোবলে এবার চলে গেলেন এসআই মোশাররফ সপ্তাহে তিন দিন ছুটির বিধান আসছে নিউজিল্যান্ডে পেরুতে একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার
ফাঁকা সদরঘাট, ছাড়ছে না কোনো লঞ্চ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:৪৮:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+


ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ শঙ্কায় ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ ঘাটে যাত্রীর দেখাও মিলছে না।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সরেজমিনে দেখা যায়, সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ। ঘাটে ভিরানো রয়েছে লঞ্চ। যাত্রীও দেখা যাচ্ছে না।

বরিশালে যাওয়ার জন্য লঞ্চ ঘাটে এসেছেন লোকমান। তিনি বসে আছেন লঞ্চ ছাড়ার অপেক্ষায়। কিন্তু তাকে লঞ্চের লোকজন জানিয়েছেন আজ লঞ্চ ছাড়বে না। তাই তিনি যেতে পারছেন না গন্তব্যে।

পারাবন-১২ কর্মচারী আলম মিয়া বলেন, আমাদের লঞ্চ ঢাকা থেকে বরিশালে যায়। কিন্তু আজ আমাদের লঞ্চ ছাড়বে না।

এর আগে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক (ট্রাফিক) আলমগীর কবির বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা আটটার দিকে নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়। সদরঘাট থেকে কোনো রুটে নৌযান ছেড়ে যাবে না।

ইতোমধ্যে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।



আমার বার্তা/০৯ নভেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন