শিরোনাম :

  • আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস আজ ঢাকার তাপমাত্রা বাড়তে পারে অন্ধ্রপ্রদেশে কোভিড সেন্টারে অগ্নিকান্ডে নিহত ৭ ব্রাজিলে করোনায় মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়াল
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তহবিল বৃদ্ধির আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:৪৮:৩৯
প্রিন্টঅ-অ+


জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় আরও বেশি আন্তর্জাতিক তহবিল বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। তিনি বলেন, পরিবেশের অবক্ষয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে যা সমাজের জন্য উচ্চ ব্যয় আরোপ করে। সুতরাং, টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশগত টেকসই একটি মৌলিক বিষয়।

মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠেয় ‘Climate Change and International Collective Action’ শীর্ষক পরিবেশ ও বিকাশ বিষয়ক ১৯তম এশিয়া প্যাসিফিক সংসদ সদস্যদের সম্মেলনে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের নেতার বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে উন্নত দেশসমূহ ২০২০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন সংক্রান্ত পদক্ষেপের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা হিসাবে যৌথভাবে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তহবিল বৃদ্ধি না করলে কয়েক মিলিয়ন মানুষের জীবন ও জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি এ সময় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় আরও বেশি আন্তর্জাতিক তহবিল বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

গ্লোবাল জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশকে বিশ্বের ষষ্ঠ জলবায়ু বিপর্যয়ের দেশ উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে অন্যতম দীর্ঘমেয়াদী হুমকি যা বাংলাদেশের অর্থনীতি, জীবিকা, খাদ্য সুরক্ষা, পরিবেশ এবং সামাজিক পরিকল্পনার সমস্ত দিককে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতি বছর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের ফলে বাংলাদেশ জিডিপির ২-৩ শতাংশ হারানোর ঝুঁকি নিয়ে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ শরণার্থী হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তববাদী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ পৃথিবীর জাতিসংঘ কর্তৃক ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনে বিনিয়োগ সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনে সহায়ক।

জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি) -এ বাংলাদেশ প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব সম্পদ থেকে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিল’ স্থাপনকারী প্রথম দেশ। উপকূলীয় অঞ্চলগুলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো জলবায়ু সম্পর্কিত বিপর্যয়ের অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যেও বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্য অর্জন করেছে।



আমার বার্তা/১০ ডিসেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন