শিরোনাম :

  • তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী উহান থেকে ২৩ বাংলাদেশিকে নেয়া হয়েছে দিল্লিতে রাজধানীতে ভবনের গ্যারেজে আগুনে শিশুসহ নিহত ৩ নগরের গৃহহীন মানুষের আবাসন সংকটের সমাধান জরুরি
ষষ্ঠ জনশুমারির আওতায় আসছেন প্রবাসী ও বিদেশিরা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:৪৮:২৪
প্রিন্টঅ-অ+


এবারই প্রথম জনশুমারিতে গণনার আওতায় আসছেন প্রবাসী ও দেশে অবস্থানকারী বিদেশিরা। আগামী বছরের ২ জানুয়ারি দেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা শুরু হয়ে চলবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে জনশুমারির ক্ষণগণনা শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব বিষয়ে জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক (জনশুমারি) জাহিদুল হক সরদারসহ পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং পরিসংখ্যান ব্যুরোর ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক (জনশুমারি) জাহিদুল হক সরদার জনশুমারি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হবে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম হিসেবে আগামী মাসে মোবাইল আবেদনের মাধ্যমে দেশব্যাপী খানা তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

জাহিদুল হক বলেন, এবারই প্রথম জনশুমারিতে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের গণনা করবে সরকার। প্রবাসীদের ভোটার বানানো এবং দেশে অবৈধ বিদেশিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এবার জরিপের আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা করা হবে, যাতে তথ্য ভুল না হয়। ২০২১ সালের মার্চে সাত দিনব্যাপী এই শুমারি পরিচালিত হবে। গণনাকারীদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি টেলিফোন, মোবাইল, এবং ই-মেইলে যে কেউ নিজেকে তথ্য শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

পরিসংখ্যান বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ ও গুরুত্বপুর্ণ উন্নয়ণ কর্মসূচি গ্রহনে জনশুমারির তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, আগে বিবিএসকে একটি মাথা গোনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু এখন সেই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান আইন হওয়ায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর ভিত শক্ত হয়েছে। এখন জেলা পর্যায়ে অফিস হয়েছে। শূন্যপদে নিয়োগ চূড়ান্তের কাজ চলছে। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে জনবল রয়েছে। সব কিছুই করা হচ্ছে সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য।



আমার বার্তা/২৩ জানুয়ারি ২০২০/জহির


আরো পড়ুন